ক্ষণিকে অনন্ত

লিখেছেন - শুভশ্রী রায়

অদৃশ্য পাখির কন্ঠে অনবদ্য সুরে অনুরণিত ব্যথা ঘোরের মধ্যে আমি তারাদের সঙ্গে বলি কত কথা! এ মুহূর্তে চাঁদ মায়াবী তার প্রেক্ষাপট ছিল দগ্ধ পল তারাদের অন্তর থেকে খসে পড়ে কয় ফোঁটা জল সমস্ত আকাশ কোনো অপূর্ব স্তব লিখছে মনে হয় পায়ের কাছে আনত দাঁড়িয়ে জগতের সবটা সময় মরপৃথিবীর আমি ভালোবেসে পুড়ে যাওয়া কবি নভোমণ্ডলে আলোর নিপুণতা দেখি, অনবদ্য সবই হয়তো কালই এই অস্তিত্বে থাকব না, ফুরিয়ে যাব সৃষ্টির চক্রে কোথাও ফের নশ্বর জন্ম কোনো পাব প্রতিটি সাফল্য এগিয়ে গেছে আমাকে ফেলে রেখে তবু আমার কাছে কিছু বড় নয় এই পলটির থেকে সবাইকে অগ্রগতির জন্য অভিনন্দন দিই আন্তরিক আমাকে যা যা দেবার অনন্ত সমস্ত দিয়েছে ক্ষণিক আমার সফলতা বলতে দৃষ্টিতে জগতের আলোরূপ এক পলে অনন্তের সমগ্রতা ভরা, মুগ্ধ মুহূর্তটি চুপ।

অনন্ত জীবন, নশ্বর অস্তিত্ব, সামান্য জীবন