নীল আকাশের কোলে দোল খেয়ে ভেসে আসে
কোন এক মায়াবিনী সুর,
জেগে ওঠে নদীর বুকে,
ব্রহ্মপুত্রের ঢেউয়ে আলতো ছুঁয়ে দিয়ে
মিশে যায় গঙ্গা -পদ্মার ঘুমন্ত তরঙ্গে।
জানলার ধারে বসে কেউ গায়—
*পিতা, মাতা, সোদোর ভাই *এর চেনা কণ্ঠে ছুঁয়ে যায়
ছন্নছাড়া কোন কোকিলের সুমধুর কুহুকুহু-র বিচ্ছরণ।
তার সুরে লুকিয়ে থাকে হাজার জন্মের ব্যথা,
হাজার মানুষের নীরব ভালোবাসার গল্প।
মায়াবিনী রাত নেমে আসে—
অসমের আঙুল ছুঁয়ে দোল খায় বাংলার বাতাসে,
রঙিন উৎসবের আলোয় গলে যায় দূরত্ব;
দুই নদী, দুই ভাষা, এক হৃদয়ের ধ্বনি।
যেন কেউ ফিসফিস করে বলে—
“তুমি আছো আমার হৃদয়ের সুরে,
যেখানে জুবিনের কণ্ঠে মিশে যায় মায়াবিনীর গান,
যেখানে সীমান্ত মানে না ভালোবাসা।”
চাঁদের আলোয় ভেজা পথে—
অসমের বাঁশবনের গন্ধ
বাংলার শিউলি-শরতের ঘ্রাণে মেশে;
আর আমরা দুজন,
দুই প্রান্তের মানুষ,
এক মায়াবী সুরে খুঁজে পাই
নিজস্ব ঘর, নিজের পৃথিবী।
….. ……

মন্তব্য করতে ক্লিক করুন