এখন রজনী পেয়ে ধরণীর বুকে
গুমোট আঁধার গড়ে ক্ষণে ক্ষণে নিশুতির ভিত,
অকালে মা হারা যতো বিড়ালের ছানা
নির্ঘুম পেঁচার চোখে জমা রাখে সোনালী অতীত।

অতিথি পাখির ঝাঁক নীরদের মতো
কি জানি কোথায় আছে! তবে নয় ঝিম মেরে বসে,
স্রোতের শায়েরী শুনে সমব্যথী হতে
হয়তো নক্ষত্র পড়ে দু’একটা নাতিদূরে খসে।

ধানের সুবাস পেয়ে ইঁদুরের দল,
’এলেও বরষা ফিরে ছাড়বো না ফের
বাপের বসত ভিটা নিশ্চয় এ শ্লোগানে অটল।

হাতের নাগালে পেয়ে দলছুট হাঁস,
সিমের মাচার তলে বারে বারে যেয়ে
যতনে স্বভাব রচে শিয়ালের ভূতুড়ে বাতাস।

স্তব্ধ এ বিবর্ণ নয় হেমন্তের ঘোর
যদিও বুঝে না বগি কোনটা যে ফাঁদুয়ার ফাঁদ,
এখানেই ব্যস্ত এক কলমির ফুল
নির্বাক গগনে তার খুঁজে পেতে পঞ্চমীর চাঁদ।