সেদিন পাঁজরে ছিলো- জানতো না কেউ
আষাঢ়ে ঢলের আঁখি খলবলে আশা
স্বপ্নিল সফেন,
প্লাটফর্মে পৌঁছে শুনি ছেড়ে গেছে নিশুতির ট্রেন।

মর্গের গুমোট এলো সহসাই নেমে
কেন যে লোচন পেলো সমিতির চক্রহার ঋণ,
ফুরায়নি দায় কিছু- কালশিটে কাঁধে
কলুর বলদ যেন গুনছেই দিন টেনে দিন।

কখনো চিন্তন পেলে বিবাগীর মতি
হারালে তবুও পথ তেপান্তরে যেয়ে
পা দু’টি নিঝুম হয় পাহাড়ের মতো
চর্মসার দেহে জাগে পলাশির ক্ষত,
কানে এলে বাঁশরির সুর?
ক্ষয়িষ্ণু জীবন বলে এই বুঝি ট্রেন,
যাবো হে ধরণী চড়ে সেই মধুপুর
মিটাবে কি আজি লেনদেন!