অন্ধকারেই তোমাকে চেয়েছিলাম। করোজ্জ্বল আলোয়
কেনো এলো? ভেবেছিলাম, তোমাকে ভেঙে ভেঙে
তুলে নেবো আঁধারের মৌলিক রঙ! আমার জমকালো ভাবনা,
বেহিসাবী স্বপ্নগুলো গোপন করে রেখে দেব তোমার নিজস্ব অন্ধকারে।
যদি আঁধার হয়েই দাঁড়াতে বড্ড শিল্পময় হতো তোমার উপস্থিতি!
আমার যাবতীয় অসম্পূর্ণতা নান্দনিক মাত্রা খুঁজে পেতো
তোমার অস্থিত্বের মুখোমুখি, হতো অদৃশ্য নির্মাণ।

হ্যাঁ, অন্ধকারেই তোমাকে চাই নিকষ অন্ধকারের মতো। অথচ
তুমি এসেছো সুতীব্র আলো হয়ে, বাহারী বর্ণছটায়! এই
অহংকারী আলো মুহুর্তেই বিঁধে গেছে চোখের মণিতে। আমি
ধাঁধানো আলোয় দেখতে চাই না পৃথিবীর দুর্লভ সৌন্দর্য বা সুন্দরের
সুষমা। শুধু দেখতে চাই, আঁধারের কতটা রূপ পেখম ছড়ায়
জমাট অন্ধকারে, ঘন আঁধারে কতটা তুমিও হতে পারে বন্য-লাবন্যময়।

যারা আলোর পূজারী তারা বাধুক জীবনের গান, যাপনের স্বপ্নাতুর
স্বরলিপি। মুগ্ধচোখে দেখুক তাজমহলের অমরকীর্তি বা পৃথিবীর আলোকিত
সব উপাদান। আমি সাধারণ একমুঠো আঁধার নিংড়ে খুঁজে নিতে চাই
আলোর স্বরূপ। তাই অনুরোধ, আঁধারে এসো-আঁধার হয়েই। তবে