আসলে একপ্রকার অলৌকিক মৃত্যুর ভেতর আমার চলে যেতে হয় অনেকসময় ফলে পুরোপুরি একটা মৃতের শহর আমার দুশো ছখানা হাড়ের কাঠামোয় বয়ে নিয়ে কেলিয়ে যেতে হয় পুরোপুরি থ্যাকথ্যাকে অ্যামিবার ক্লেদাক্ত নড়াচড়া নিয়ে বেঁচে থাকতে থাকতে আমি অবিশ্বাস সন্দেহ ইত্যাদি হতে বিচ্যুত হই
সূর্যের আলো যেমন সাধারণভাবে শূকরীর স্তন মণ্ডলে এসে পড়ে বা আমার লিংগের চারপাশে গজিয়ে ওঠে লোম ঠিক তেমনি সাধারণ সমান্তরাল সরল রেখায় আমি হাওয়া থেকে অক্সিজেন নিয়ে ফুলগাছে আর রূপসীদের যোনির দিকে ছুঁড়ে দিচ্ছি কার্বন-ডাই-অক্সাইড
বড়ো বিচ্ছিরি এই বেঁচে থাকা
আমার বুকের বাঁ ফুসফুসে প্রেম
ডান দিকে পারভারশান
লিংগের উত্থান থেকে আমি জেনেছি
কাকে বলে টেলিপ্যাথিক কম্যুনিকেশন
আমি এখন সেই মহাগ্রন্থ খুঁজছি
যা কিনা যীশু আর রামকৃষ্ণের যৌন বিষয়ক
আলোচনায় পূর্ণ
আমি আমার সামগ্রিক
ক্যালানে কেষ্ট ফালতু অপদার্থ
জীবনকে ক্যাঁৎ করে লাথি মারার জন্যে
শিবলিংগের মাথায় পেচ্ছাপ করছি
বেলুড় মঠের সাষ্টাংগে প্রণামরত
যুবক ব্রমহচারীদের লিংগ দেখছি
খাড়া হচ্ছে কিনা
সমস্ত কাশীপুর বরানগর বেলঘরিয়া আলমবাজার শ্যামবাজার যদুবাবুর বাজারের শ্রমিক কেরানী শিক্ষক অধ্যাপক গায়ক কমরেড বেশ্যা পোয়াতী আলুবাজ ক্রিকেটার অ্যাথলেট ফুটবলার রকবাজ ছাত্র মেয়ে ছেলে সব্বাই আমায় দেখে থুথু ছুঁড়ছে ঘেন্নায়
আস্তিক রবীন্দ্রনাথ ভীষণ রেগে আমায়
মারতে আসছেন আমি এরকম ইলিউশন
দেখছি প্রায়শই- প্রায় রোজ আমি আমার
হৃদপিণ্ড পাকস্থলী কচমচিয়ে
চিবিয়ে খেয়ে ফেলছি
আশেপাশে সকলের ঘেন্না
রবীন্দ্রনাথের রাগ
এবং আমার নিজেকে নিজের মেরে ফ্যালা
এই তিনটে ডাইমেনশন
আমায়
ফোর্থ ডাইমেনশন
খুঁজে নেবার জন্যে
বেঁচে থাকতে প্রভোক করছে।

মন্তব্য করতে ক্লিক করুন