নিসর্গের সঙ্গে কোনো ঢলাঢলি নেই ইদানীং।
পেতল তামার সঙ্গে, ইট-কাঠ ইত্যাদির সঙ্গে
খুব বেশি মেলামেশা হয়। কর্কশ শিরিষ দিয়ে
প্রত্যহ মসৃণ করি একটি কাঠের বাড়ি, তার
দেয়ালে দেয়ালে চিত্র, নরুনে খুঁচিয়ে তোলা; তবু
আমার ভেতরে এক কেমন উদ্ভিদ বেড়ে যায়
প্রতিদিন চুপিসারে, জিভ নেড়ে নেড়ে অতিশয়
নম্র ভঙ্গিমায় ডাকে। তার কিছু স্বাদ আছে ভেবে
সামাজিক কীটপতঙ্গের দ্রুত চঞ্চলতা বাড়ে।
যেও না তোমরা কেউ উদ্ভিদের কাছে, যত বলি-
তত ভিড় আশেপাশে, কণ্ঠে তুলে নিতে চায়
তীব্র অন্তর্স্রাবী রস। বিবেচনা নেই, কী গরল
সেখানে প্রচ্ছন্ন বয়, ভেবেও দ্যাখে না একবার।
আমি নীল হচ্ছি ক্রমে, দেখছে না তাও; ওরা শুধু
বিশদ কুহকে মজে রসমগ্ন হয়। উদ্ভিদের
আনাচে-কানাচে বহু শতাব্দীর চূর্ণ শোভা আর
কালিঝুল লেগে থাকে, আমি তার ক্ষুধিত ছায়ায়
ক্লান্তি আর উদ্যমের মাঝামাঝি করি বসবাস।
শামসুর রাহমান জনপ্রিয় লেখাগুলো
আমি যাচ্ছি চলে, কোনদিন হয়তো আর আসবো না
১০১৭১ বার পঠিত
কী করে করবো বসবাস
৭৯৫৫ বার পঠিত
বাঁচতে দাও
৪১৩৫ বার পঠিত
প্রেমের কবিতা
৩৩৪৭ বার পঠিত
আমার ভালোবাসা
২৭৭৬ বার পঠিত
🎂 আজ যাদের জন্মদিন
মুহাম্মদ জে এইচ রপ্পি
শুভ জন্মদিন! 🎈
তৌজি
শুভ জন্মদিন! 🎈
সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ
মহাকালের খেয়া 📜✨
— দরবেশ আল আমিন
অজানার পানে ছ...
আরো দেখুন
দরবেশ আল আমিন
লেখক:
দরবেশ আল আমিন
পৃথিবী কবিতার মতোই সুন্দর, এবং এই সৌন্দর্য দেখার জ...
আরো দেখুন
Munsora Mim
লেখক:
মেহেদী হাসান অপু
কবিতাটি সত্যিই দারুণ। এতো এতো ইমোশন দিয়ে আবৃত। প্র...
আরো দেখুন
সায়েবা
লেখক:
রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ