যখন এক জীবনের কাজের আমূল ধ্বংসস্তূপের উপর দাঁড়িয়ে ভাবি এইবার
তাহলে কোনদিকে যাব
যখন এক পা থেকে আরেক পায়ের দূরত্ব মনে হয় অলীক যোজন ছায়ায় ঝাপসা
হয়ে-থাকা স্থিরতা
যখন মূর্তির কোনো-এক নিরর্থ খণ্ড হাতে তুলে নিয়ে মনে পড়ে কোন্ মূখের স্বর্গে
ছিল আমার বসবাস
কেননা ভেবেছিলাম আমিই তো জাগিয়ে তুলতে পারি তোমার হৃৎপিণ্ড, তোমার
সত্তা

যখন সেই স্তূপের ভিতর থেকে কেঁপে ওঠে শুধু হাজার হাজার নিষ্প্রাণ আঙুলের
উৎক্ষেপ .
যখন তার অনুচ্চার অভিযোগ গড়িয়ে পড়তে থাকে আমার সমস্ত ব্যর্থতার গায়ের
ওপর আগুনের ঝর্না
যখন কোষগুলির মধ্যে চিৎকার শোনা যায় বলো তাহলে বলল এইবার কোন্ পথ
আর বাকি রইল অবাধ আস্তরণের সামনে
ঠিক তখনই স্বপ্নের চেয়েও মিথ্যে এই ভ্রষ্ট সচলতার দিকে তাকিয়ে আজ খুঁজে
বেড়াই অন্য আরো অর্ধেক, কেননা

ভালোবাসা অর্ধেক স্থপতি!