যন্ত্রের এপার থেকে কথা বলতে বলতে শব্দগুলি জলস্তম্ভ তোমাকে তারা ছুঁতে
পারে না আর তুমিও দেখতে পাও না মুখচ্ছবি কোথায় কীভাবে ভাঙে
কেননা কেবলই স্তম্ভ, জল নেই স্নানজল নেই
অথবা বালির ঝড় উলটোমুখে ছুটে যাওয়া পথে পথে পেতে রাখা জালগুলি কিছু
ওড়ে কিছুবা জড়িয়ে যায় পায়ের ভিতরে তার অন্ধকারে মজ্জার ভিতরে
আমি বলি এই শব্দ ছিল শুধু নৌকো হয়ে তোমাকে সে তুলে আনবে আমার ঘুমের
কাছে বিশ্ববিকাশের কাছে যে-কোনো ঘুমের মধ্যে নতুন জন্মের ভ্রূণ আছে
ভেবে ডাক দিই শোনো
যন্ত্রের এপার থেকে সেইসব শব্দ আজ ঘূর্ণমান সুদর্শনে ছিঁড়ে দেয় অর্থদল নতুন
জন্মের কথা গুঁড়ো হয়ে ঝরে পড়ে এধারে ওধারে আর তোমাকে ছোঁয়
না তারা, তাই

প্রতিটি মুহূর্ত দিয়ে অবিচুয়ারির স্তূপ গেঁথে
যন্ত্রের এপারে আমি বসে থাকি বসে থেকে ভাবি যদি একদিন কোনো এক
রাত্রিবেলা অতর্কিত অন্ধকারে তোমার বুকের সব রুদ্ধ পাপড়ি খুলে
খুলে শহর সমুদ্রে নামে

শহর সমুদ্রে নামে স্নান নিতে, ঘুমের ভিতরে।