টাবনদা, আমার জ্যাঠতুতো দাদা বাবনদা’র এক বন্ধুর জ্যাঠতুতো দাদা, ব্যাস ওই টুকুই।
আজ থেকে বছর পঁচিশ আগে একটা বিয়ে বাড়িতে আলাপ, বেশ ভালো দেখতে,
আমার কবিতা শুনতে চেয়েছিলেন
বিবাহময় সে রাতে শোনাতে পারিনি যদিও
পরে বার দুয়েক শুনিয়েছি
বেশ আগ্রহ নিয়েই শুনতেন
কিন্তু কোনো মন্তব্য করতেন না।
এক সময়ে যোগাযোগ কেটে যায়।

সে দিন দেখলাম শেয়ালদার কাছে একটা রাস্তা দিয়ে যাচ্ছেন বা আসছেন
আমাকে চিনতেও পারলেন এবং বললেন
‘আপনার কথাবার্তাও কবিতার মতো লাগত’,
শুনে আমি তো অবাক।
এই বলে তিনি একদম স্বাভাবিকভাবে হেঁটে চলে গেলেন, যাওয়ার আগে বা পরে
পরাবাস্তবিক ধোঁয়া টোঁয়া কিছুই বেরলো না।

টাবনদা
আমার জ্যাঠতুতো দাদা বাবনদা’র বন্ধুর জ্যাঠতুতো দাদা
ব্যাস! ওই টুকুই?