অন্ধকার স্তব্ধতার বক্ষ বিদীর্ণ করি’
সহসা উদিল জ্যোতি;
শত বর্ষের ধূসর পাণ্ডুলিপি ছিঁড়ে
জাগিল নবীন এক আরতি।
পদ্মার ঢেউয়ে ঢেউয়ে যে সুর বাজিয়াছিল
আজ তটিনীর কূলে কূলে—
সে সুর যে আজ রুদ্রবীণার তারে
মুক্তির কল্লোল তুলে।
সবুজ ঘাসের গালিচা বাহিয়া
দলে দলে আসে লোক,
উত্তাল সেই জনসমুদ্রে
নিবে যায় সব শোক।
অস্তাচলের রক্তিম আভা
ললাটে মাখিয়া বীর—
আসিলেন কবি জনতার মঞ্চে
উন্নত করি’ শির।
নিশ্চল চরাচর, স্তব্ধ সমীরণ,
মন্দ্রিত হলো আকাশ—
তপস্বীর সেই নয়ন-বহ্নিতে
জাগিল নব আশ্বাস।
অতঃপর সেই মেঘমন্দ্র স্বরে
বজ্রিল মহামতি:
“এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম,
এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।”

মন্তব্য করতে ক্লিক করুন