(১)
প্রচণ্ড রোদে পিচঢালা রাস্তাটা মনে হচ্ছে একটু পরেই গলে যাবে। তিতু আর রবিন স্কুল থেকে ফেরার পথে নিমগাছের ছায়ায় একটু জিরিয়ে নিতে থামল। রবিন ছেলেটা মহাকাশ আর বিজ্ঞান নিয়ে একটু বেশিই মেতে থাকে।
হঠাৎ রবিন বলল, “আচ্ছা তিতু, এই যে বিশাল মহাবিশ্ব—এর কি একটা শুরু আছে?”
“থাকবে না কেন? সবকিছুরই তো একটা শুরু থাকে,” তিতু বেশ বিজ্ঞের মতো জবাব দিল।
রবিন ঘাসের ওপর বসে একটা কাঠি দিয়ে মাটিতে দাগ কেটে বলল, “বিজ্ঞানীরাও তাই বলেন। কিন্তু মুশকিল হলো, যদি মহাবিশ্বের একটা শুরু থাকে, তবে তার পেছনে একটা কারণও থাকতে হবে । কারণ ছাড়া তো আর এমনি এমনি কিছু হয়ে যায় না।”
তিতু অবাক হয়ে তাকাল। সে জানে রবিন যখন এভাবে কথা বলে, তখন সে কোনো গভীর বিষয় নিয়ে ভাবছে। রবিন আবার বলতে শুরু করল, “আগেকার দিনের অনেক দার্শনিক, যেমন আল-গাজালি, মনে করতেন যে সময় বা ঘটনা কোনোদিনই অসীম হতে পারে না । যদি মহাবিশ্ব অসীম সময় ধরে চলত, তবে আমরা আজকের এই দিনে এসে পৌঁছাতেই পারতাম না।”
“তার মানে মহাবিশ্বের একটা নির্দিষ্ট জন্মদিন আছে?” তিতু চোখ কপালে তুলল।
“হয়তো,” রবিন মাথা নাড়ল। “কিন্তু এখানেই আসল প্যাঁচ। অনেকে বলেন, মহাবিশ্বের যদি শুরু থাকে এবং তার পেছনে যদি কোনো কারণ থাকে, তবে সেই কারণটা কি কোনো অতিপ্রাকৃত শক্তি নাকি বিজ্ঞানের কোনো নিয়ম? কেউ কেউ বলেন এই কারণটাই হলো স্রষ্টা। কিন্তু বিজ্ঞানীরা পালটা প্রশ্ন করেন, যদি সবকিছুরই কারণ থাকতে হয়, তবে স্রষ্টার কারণ কে?”
তিতু একটু ভেবে বলল, “কিন্তু রবিন, আমরা তো ছোটোবেলায় পড়েছি কোনো কিছু শূন্য থেকে তৈরি হয় না। আমাদের চারপাশের সবকিছুই তো আগের কোনো জিনিসের রূপান্তর মাত্র ।”
রবিন হাসল। “ঠিক ধরেছিস! ঘরের আসবাবপত্র বা এই রাস্তা—এগুলো কোনো না কোনো বস্তু থেকে তৈরি হয়েছে। কিন্তু মহাবিশ্ব শুরুর সময় কি কোনো বস্তু আগে থেকে ছিল? নাকি একদম শূন্য থেকে সব তৈরি হয়েছে? এটাই হলো আসল রহস্য।”
তাদের এই আলোচনার মাঝেই হঠাৎ আকাশটা কেমন জানি মেঘলা হয়ে এল। তিতু অনুভব করল, মহাবিশ্বের এই রহস্য সমাধান করা অতটা সহজ নয় যতটা সে ভেবেছিল। বিজ্ঞানের এই রোমাঞ্চকর যাত্রা কেবল শুরু হলো।
(২)
পরদিন স্কুলে টিফিনের সময় রবিন আর তিতু লাইব্রেরির পেছনের বারান্দায় বসল। আকাশের এক কোণে এক টুকরো সাদা মেঘ ভেসে যাচ্ছে। রবিন পকেট থেকে একটা ছোট দর্পণ বের করে সূর্যের আলো ফেলল দেয়ালে।
“জানিস তিতু,” রবিন ফিসফিস করে বলল, “কাল আমরা যে কারণ আর শুরুর কথা বলছিলাম, সেখানে একটা বড়ো সমস্যা আছে। যেটাকে বলে ‘যুক্তি-বিভ্রাট’ বা ফ্যালাসি।”
তিতু অবাক হয়ে বলল, “সে আবার কী?”
রবিন দেয়ালে আলোর বিন্দুটা নাচাতে নাচাতে বলল, “অনেকে বলে, মহাবিশ্বের যেহেতু একটা শুরু আছে, তাই এর একটা কারণ থাকতেই হবে। কিন্তু তারা আবার বলে, যে কারণটা মহাবিশ্ব বানিয়েছে (অর্থাৎ ঈশ্বর), তাঁর নিজের কোনো শুরু বা কারণ নেই। এটাকে বলে ‘স্পেশাল প্লিডিং’ বা বিশেষ ওকালতি। মানে হলো, তুমি একটা নিয়ম বানালে যে ‘সবার শুরু থাকতে হবে’, কিন্তু নিজের পছন্দের একজনের বেলায় বললে ‘তার নিয়ম মানার দরকার নেই’।”
তিতু মাথা চুলকে বলল, “এটা তো ঠিক হলো না! নিয়ম কি সবার জন্য এক হওয়া উচিত নয়?”
“একদম ঠিক!” রবিন তালি দিয়ে উঠল। “আরেকটা মজার ব্যাপার আছে। আমরা আমাদের চারপাশে যা কিছু তৈরি হতে দেখি—যেমন এই বেঞ্চ বা টিফিন বক্স—এগুলো আসলে নতুন কিছু নয়। এগুলো পুরোনো জিনিসের রূপান্তর মাত্র। কিন্তু মহাবিশ্ব সৃষ্টির কথা যখন বলা হয়, তখন বলা হয় ‘শূন্য থেকে সৃষ্টি’ বা ‘Creation ex nihilo’। আমাদের অভিজ্ঞতায় এমন কিছু কি আছে যা একদম শূন্য থেকে তৈরি হয়েছে? নেই! তাই আমাদের চেনা জগতের নিয়ম দিয়ে মহাবিশ্বের শুরুকে বিচার করাটা অনেকটা আপেলের সাথে কমলার তুলনা করার মতো।”
তিতু জানালার বাইরে তাকিয়ে ভাবল। সত্যিই তো, মহাবিশ্বটা কি একটা বড়ো সেটের মতো? সেটের ভেতরের জিনিসের গুণাগুণ কি পুরো সেটের ওপর চাপিয়ে দেওয়া যায়? সে রবিনকে বলল, “তার মানে, একটা উড়োজাহাজের সব যন্ত্রাংশ আলাদাভাবে উড়তে পারে না বলে পুরো উড়োজাহাজটা উড়তে পারবে না—এমনটা ভাবা ভুল।”
রবিন হাসল। “ঠিক ধরেছিস! এটাকে বলে ‘Fallacy of Composition’ বা সমষ্টিকরণ দোষ। মহাবিশ্বের ভেতরের জিনিসের কারণ আছে বলেই যে পুরো মহাবিশ্বের একটা অতিপ্রাকৃত কারণ থাকতে হবে, তার কোনো অকাট্য যুক্তি নেই।”
হঠাৎ টিফিনের ঘণ্টা পড়ল। রবিন তার দর্পণটা পকেটে পুরতে পুরতে বলল, “আরো রহস্য আছে তিতু। সময় জিনিসটা আসলে কী? মহাবিশ্বের শুরুর আগে কি ‘সময়’ বলে কিছু ছিল?”
তিতু বুঝল, বিজ্ঞানের এই গোলকধাঁধা ক্রমে আরো জটিল কিন্তু ভীষণ মজার হয়ে উঠছে।
(৩)
স্কুলের ল্যাবরেটরিতে সেদিন রবিন একটা কাচের প্রিজম নিয়ে নাড়াচাড়া করছিল। জানালার ফোকর দিয়ে আসা আলোটা সাতটা রঙে ভাগ হয়ে দেয়ালের ওপর পড়ে আছে। তিতু এসে পাশে বসতেই রবিন গম্ভীর গলায় বলল, “জানিস তিতু, কাল রাতে আমি একটা অদ্ভুত কথা ভেবেছি। আমরা যে বলি মহাবিশ্বের একটা শুরু আছে, সেটা কি আসলেও সত্যি?”
তিতু অবাক হয়ে বলল, “কেন? কালই তো বললি বিজ্ঞানীরাও তাই ভাবেন!”
রবিন প্রিজমটা টেবিলের ওপর রেখে বলল, “হ্যাঁ, কিন্তু ‘শুরু’ শব্দটা নিয়ে একটা বড়ো কারসাজি আছে। এটাকে বলে ‘Equivocation’ বা শব্দের দ্ব্যর্থকতা। আমরা যখন বলি একটা গাড়ি তৈরি হয়েছে, তখন আমরা আসলে লোহা বা প্লাস্টিককে নতুন করে সাজাই। কিন্তু মহাবিশ্বের বেলায় বলা হয় এটা একদম ‘নাই’ থেকে ‘আছে’ হয়েছে। মহাবিশ্বের ভেতরে আমরা কোনোদিন কিছুকে একদম শূন্য থেকে তৈরি হতে দেখিনি। তাহলে যে নিয়মটা আমরা কোনোদিন দেখিনি, সেটা মহাবিশ্বের ওপর চাপিয়ে দিচ্ছি কীভাবে?”
তিতু মাথা চুলকে বলল, “তার মানে আমরা আসলে আপেলের সাথে কমলার তুলনা করছি?”
“ঠিক তাই!” রবিন চোখ উজ্জ্বল করে বলল। “আরো একটা ব্যাপার আছে। সময় বা টাইম (Time)। মহাবিশ্ব যদি ১৩.৮ বিলিয়ন বছর আগে শুরু হয়ে থাকে, তবে সময়ও তো তখনই শুরু হয়েছে। তার মানে এমন কোনো ‘সময়’ কি ছিল যখন মহাবিশ্ব ছিল না? ছিল না! মহাবিশ্ব সবসময়েই ছিল, কারণ ‘সবসময়’ বলতে আমরা যে সময়কে বুঝি তা মহাবিশ্বেরই অংশ।”
তিতু একটু থমকে গেল। সে ভাবল, “তাহলে কি একটা অতিপ্রাকৃত কারণ থাকতেই হবে এমন কোনো কথা নেই?”
রবিন জানালার বাইরে বিশাল আকাশটার দিকে তাকিয়ে বলল, “অনেকে যুক্তি দেয় যে স্রষ্টা সময়ের বাইরে, তাই তাঁর কোনো কারণ লাগে না। কিন্তু এটা তো সেরেফ একটা অনুমান। আমাদের কল্পনার সীমাবদ্ধতা দিয়ে কি আমরা সত্যকে বেঁধে ফেলতে পারি? কোয়ান্টাম ফিজিক্সে এমন অনেক ঘটনা আছে যা কোনো কারণ ছাড়াই ঘটে। হয়তো মহাবিশ্ব সৃষ্টিও সেরকম কোনো প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার অংশ, যার জন্য আলাদা করে কোনো জাদুকরী কারণের প্রয়োজন নেই।”
বাইরে তখন ঝিরঝির করে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। তিতু ভাবল, যুক্তি আর বিজ্ঞানের এই লড়াইটা আসলে মিথ্যে বিশ্বাসের বিরুদ্ধে সত্যের লড়াই।
(৪)
স্কুলের ছাদের এক কোণে বসে রবিন আর তিতু দেখছিল দূরে দিগন্তের রেখাটা কেমন ঝাপসা হয়ে আসছে। রবিনের হাতে একটা পুরোনো মোটা ফিজিক্স বই। সে বইটা বন্ধ করে তিতুর দিকে তাকিয়ে বলল, “জানিস তিতু, কাল রাতে আমি ভাবছিলাম—আমরা কেন ধরে নিই যে মহাবিশ্বের কারণ কেবল একটাই হতে হবে?”
তিতু অবাক হয়ে বলল, “কেন? একটা কিছুর পেছনে তো একটা বড়ো কারণই থাকে, তাই না?”
রবিন মাথা নাড়ল। “মোটেও না! ধর, আমাদের এই স্কুল বিল্ডিংটা। এটা কি একজন মানুষ বানিয়েছে? না। এখানে রাজমিস্ত্রি ছিল, কাঠমিস্ত্রি ছিল, রড লেগেছে, সিমেন্ট লেগেছে। কত মানুষের বুদ্ধি আর শ্রম মিশে আছে। অথচ যারা ‘কালাম আর্গুমেন্ট’ দেয়, তারা জোর দিয়ে বলে মহাবিশ্বের কারণ নাকি মাত্র একটা! এটা তো সেরেফ একটা অনুমান। হতে পারে লাখ লাখ কারণ মিলে এই মহাবিশ্ব তৈরি করেছে, অথবা অনেকগুলো ছোট ছোট প্রাকৃতিক ঘটনা একসাথে ঘটেছে।”
তিতু একটু ভেবে বলল, “কিন্তু রবিন, অনেকে তো বলে মহাবিশ্ব এত সুন্দর করে সাজানো, এটা তো এমনি এমনি হতে পারে না।”
রবিন হাসল। “এটাকে বলে ‘আন-পারসিমোনিয়াস’ ব্যাখ্যা। মানে হলো, একটা রহস্য সমাধান করতে গিয়ে তুমি তার চেয়েও বড়ো আর জটিল একটা রহস্যকে ডেকে আনলে। মহাবিশ্বকে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে যদি তুমি এমন এক স্রষ্টাকে কল্পনা করো যার নিজের কোনো শুরু নেই, তবে সেটা তো যুক্তি দিয়ে কিছু প্রমাণ করা হলো না। সেটা হলো যুক্তির ফাঁকি।”
রবিন আরও বলল, “আরেকটা মজার কথা শোন। বিজ্ঞানীরা এখন ‘কোয়ান্টাম মাইন্ডস’ বা ‘টাইমলেস মাল্টিভার্স’-এর কথা ভাবছেন। হয়তো অনেকগুলো মন বা প্রাকৃতিক শক্তির ভারসাম্যহীনতার ফলে এই মহাবিশ্বটা তৈরি হয়েছে। এগুলো সবই হতে পারে, কিন্তু কেউ যদি জোর দিয়ে বলে ‘না, শুধু আমার কথাটাই ঠিক’, তবে বুঝতে হবে সেখানে বিজ্ঞানের চেয়ে জেদ বেশি।”
বাতাসটা হঠাৎ একটু ঠান্ডা হয়ে এল। তিতু বুঝতে পারল, দুনিয়াটা আমরা যতটা সহজ ভাবি, আসলে তা নয়। যুক্তির প্রতিটি ধাপে কত সূক্ষ্ম ভুল লুকিয়ে থাকতে পারে, সেটা রবিন ওকে না দেখালে ও কোনোদিন বুঝতেই পারত না।
(৫)
আকাশে তখন রুপোলি চাঁদের আলো ফুটেছে। রবিন আর তিতু ওদের বাড়ির পেছনের আমবাগানে বসে আছে। তিতুর মনে আজ অনেক প্রশ্ন, কিন্তু রবিন একদম শান্ত।
“রবিন,” তিতু খুব নিচু গলায় ডাকল, “সবই তো বুঝলাম। কিন্তু যদি কেউ খুব সুন্দর করে যুক্তি সাজিয়ে প্রমাণ করে ফেলে যে মহাবিশ্বের একজন স্রষ্টা থাকতেই হবে, তখন আমরা কী বলব?”
রবিন একটা শুকনো ডাল দিয়ে মাটিতে একটা নিখুঁত ত্রিভুজ আঁকল। তারপর বলল, “শোন তিতু, জ্যামিতির বইয়ে আমরা যখন কোনো ত্রিভুজ নিয়ে উপপাদ্য প্রমাণ করি, তখন সেই প্রমাণটা হয়তো একদম নির্ভুল হয়। কিন্তু সেই জ্যামিতিক প্রমাণটা কি আসলে বলে দেয় যে প্রকৃতিতে সত্যি সত্যি ওরকম একটা ত্রিভুজ আছে?”
তিতু মাথা নেড়ে বলল, “না, ওটা তো শুধু থিয়োরি বা তত্ত্ব।”
“ঠিক তাই!” রবিন চোখ উজ্জ্বল করে বলল। “যুক্তি দিয়ে হয়তো একটা চমৎকার ঘর বানানো যায়, কিন্তু সেই ঘরে কি আমরা বাস করতে পারি যদি না সেখানে বাস্তব কোনো ইট-পাথর থাকে? কালাম আর্গুমেন্ট বা কসমোলজিক্যাল আর্গুমেন্ট হলো অনেকটা সেরকম। এটা একটা ‘প্রুফ বাই লজিক’ বা যুক্তির খেলা। কিন্তু লজিক দিয়ে কোনো কিছুর অস্তিত্ব প্রমাণ করা যায় না, যতক্ষণ না আমাদের হাতে বাস্তব প্রমাণ বা এক্সপেরিমেন্টাল এভিডেন্স থাকছে।”
রবিন ত্রিভুজটা মুছে দিয়ে আকাশের দিকে হাত বাড়িয়ে দিল। “বিজ্ঞান আমাদের শেখায় প্রশ্ন করতে, কোনো কিছুকে অন্ধভাবে মেনে নিতে নয়। কেউ কেউ বলে মহাবিশ্ব এক অসীম শূন্যতা থেকে এসেছে। কিন্তু কেউ যদি বলে ঈশ্বর বা স্রষ্টা ছাড়া মহাবিশ্ব হওয়া অসম্ভব, তবে তাকে এটাও বলতে হবে যে অসীম ঈশ্বর কীভাবে কোনো কারণ ছাড়া থাকতে পারেন? যদি ঈশ্বর অনাদি হতে পারেন, তবে মহাবিশ্ব কেন অনাদি হতে পারবে না?”
তিতু এক দীর্ঘশ্বাস ফেলল। সে বুঝতে পারল, পৃথিবীর সব প্রশ্নের উত্তর হয়তো আজ আমাদের কাছে নেই। কিন্তু সেই অজানা রহস্যকে কোনো একটা কাল্পনিক নাম দিয়ে ঢেকে রাখা মানেই উত্তর খুঁজে পাওয়া নয়।
রবিন উঠে দাঁড়িয়ে তিতুর কাঁধে হাত রাখল। “আসল সত্যটা হয়তো আমাদের কল্পনার চেয়েও অনেক বেশি রোমাঞ্চকর। হয়তো কোনো একদিন আমরা জানতে পারব কীভাবে এই মহাবিশ্ব এসেছে, কিন্তু তার জন্য আমাদের মনটাকে সবসময় খোলা রাখতে হবে।”
চাঁদের আলোয় বাগানের গাছগুলো কেমন রহস্যময় দেখাচ্ছিল। তিতু আর রবিন বাড়ির দিকে হাঁটতে শুরু করল। তাদের এই ছোট্ট অভিযান শেষ হলো সত্যের সন্ধানে এক নতুন যাত্রার প্রতিশ্রুতি দিয়ে।
১২

মন্তব্য করতে ক্লিক করুন