নীলাম্বরের ষোড়শী চাঁদ,
জোৎস্নার বানে ভেসে যায় ধরণীর বুক;
প্রণয়ীর দ্বারে এসে থামে
রাতের নীরব সুখ।
প্রণয়ী তার দুয়ার খুলিয়া
ধীরে ধীরে দুলিয়া তাকায়;
লাজে লাজে আঁখির কোণে
চাঁদের আলো ঝরে যায়।
গগনপারে মিটিমিটি তারা,
নিশীথের গল্প মেতে ওঠে খেলায়;
হাওয়ায় হাওয়ায় গোপন কথারা
নিঃশব্দে কানে কানে যায়।
চাঁদের ছায়ায় জড়ানো পথ
ডাকে অবুঝ পদচারণ;
প্রেমের ভাষা বাক্যহীন,
তবু হৃদয়ে তার আবরণ।
উঠো হে প্রণয়ী, খুলে দাও দ্বার,
এই নিশীথ তোমারই অধিকার;
যত চাও ভালোবাসা নাও আজ,
ভাঙো লাজ, করো নিজেকে আমার।
এই রাত ক্ষণিক, তবু অনন্ত,
এই প্রেম ক্ষণস্থায়ী, তবু চিরন্তন;
জোৎস্নার বুকে লেখা থাক
দু’হৃদয়ের একাকার বন্ধন।

মন্তব্য করতে ক্লিক করুন