অনন্ত আকাশ জুড়ে মেঘেদের আনাগোনা,
নাগিনীদের নিঃশ্বাসে উষ্ণ হয়ে ওঠে
চাদরের গোপন ভূগোল—
সেখানে কিছু লাল দাগ
চুপচাপ শুকিয়ে যায়।
হলুদের গন্ধে ভরে ওঠে গলি,
মনে হয় কেউ বুঝি
রান্না বসিয়েছে এক বিঘেৎ ইতিহাস।
রাতে কুকুরেরা অকারণে ডাকে,
জানালার কাঁচে জমে থাকে
অদ্ভুত সব আঙুলের ছাপ।
কেউ দেখে না,
তবু দেয়ালগুলো ধীরে ধীরে
রং বদলায়।
বৃদ্ধ বটগাছটি আজকাল
কম কথা বলে—
তার শেকড়ে নাকি
অনেক পুরোনো শব্দ চাপা আছে।
চায়ের দোকানে বসে থাকা লোকগুলো
হাসতে হাসতে হঠাৎ চুপ হয়ে যায়,
যেন বাতাসের মধ্যেও
কারো কান পেতে থাকা সন্দেহ
আনমনে ইশারায় দোলে!
তবু দূরে,
দোলং-এর কাদামাটিতে
একটি শিশুর পা ডুবে যায় আনন্দে,
আর এক বাউল
ছেঁড়া সুরে গেয়ে ওঠে—
“সব আগুনের ভেতরেও
একটু জল লুকিয়ে থাকে…”
………. ……..
