মনের ভেতর শরীর
একটি কাঁপতে থাকা সাঁকো,
নিচে অন্ধ নদী—
নাম তার জীবন।
হাঁড়িতে চাল পড়ে,
ফুটন্ত জলে দানা বাঁধে সাদা ভাত,
ঘরণীর চোখেও তেমনই
এক ফোঁটা সাদা ভবিষ্যৎ জমে ওঠে—
যার এখনো কোনো জন্মতারিখ নেই,
শুধু ক্ষুধা আছে।
নবান্ন আসে কুয়াশা হয়ে,
ধানের গন্ধে ভরে ওঠে উঠোন,
কিন্তু তার বুকের ভেতর
আরও এক মাঠ—
যেখানে ফসল নয়,
ধীরে ধীরে মানুষ ফলে।
হাঁসেরা জলে ফেরি করে,
তাদের পালকে লেগে থাকে
দিনের ভাঙা আলো,
ঈশ্বর পা ধোয় সেই জলে,
মুখ মুছে নেন মাটিতে—
তারপর আবার গরিবের ঘরে ঢুকে পড়েন
নিঃশব্দে।
ঘরণী লেখে একখানা চিঠি,
কালিতে নয়—
নিজের রক্তচাপে,
নিজের না-ঘুমোনো রাত দিয়ে।
ঠিকানা:
একটি অনাগত মুখ।
তারপর তিনবার ডাকে জীবনকে,
জোরে নয়,
পেটের ভেতর হাত রেখে—
যেন পৃথিবীকে বলে,
“এটাকে ভেঙো না,
এটা এখনো মানুষ হচ্ছে।”
অনুসন্ধান করুন
সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ
সুন্দর লেখা, অভিনন্দন কবি
আরো দেখুন
কাজী অ্যাডাম
লেখক:
আনিস খান শিহাব
আসসালামু আলাইকুম । বাংলা কবিতা নেট কবিতা অঙ্গনে সক...
আরো দেখুন
নূর মোহাম্মদ কল্পকবি
লেখক:
নূর মোহাম্মদ কল্পকবি
কিছু অনুভূতি
হালকা করে ছুঁয়ে যায়,
কিন্তু হৃদয়...
আরো দেখুন
রিয়াজ খান-হৃদয়
লেখক:
শংকর ব্রহ্ম