মালী বলেছিল। সেইমতো
টবে লাগিয়েছি রাধাচূড়া।
এতটুকু টবে এতটা গাছ?
সে কি হতে পারে? মালী বলে
হতে পারে যদি ঠিক জানো
কীভাবে বানায় গাছপালা।
খুব যদি বাড় বেড়ে ওঠে
দাও ছেঁটে দাও সব মাথা
কিছুতে কোরো না সীমাছাড়া
থেকে যাবে ঠিক ঠান্ডা চুপ–
ঘরেরও দিব্যি শোভা হবে
লোকেও বলবে রাধাচূড়া।
সবই বলেছিল ঠিক, শুধু
মালী যা বলেনি সেটা হলো
সেই বাড় নীচে চারিয়ে যায়
শিকড়ে শিকড়ে মাথা খোঁড়ে, আর
এখানে-ওখানে মাটি ফুঁড়ে
হয়ে ওঠে এক অন্য গাছ।
এমনকী সেই মরশুমি টব
ইতস্ততের চোরা টানে
বড়ো মাথা ছেড়ে ছোটো মাথায়
কাতারে কাতারে ঝেঁপে আসায়
ফেটে যেতে পারে হঠাৎ যে
সেকথা কি মালী বলেছিল?
মালী তা বলেনি, রাধাচূড়া!
কবিতা — রাধাচূড়া
মঙ্গলবার, ০২ জানুয়ারি ২০২৪
বিবিধ কবিতা
৫১০৩
এআই বিশ্লেষণ (মূলভাব)
‘রাধাচূড়া’ কবিতায় টবে আবদ্ধ একটি গাছের মাধ্যমে মানুষের উপর আরোপিত কৃত্রিম নিয়ন্ত্রণ ও স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্যের দ্বন্দ্ব ফুটে উঠেছে। মালী গাছটিকে কেটেছাঁটে ছোট ও শান্ত রাখতে বললেও, মাটির নিচে তার শিকড় স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিস্তার লাভ করে। বাহ্যিক বাঁধন দিয়ে সত্যকে চিরতরে চেপে রাখা যায় না—একদিন না একদিন তা আত্মপ্রকাশ করেই।
অনুসন্ধান করুন
🎂 আজ যাদের জন্মদিন
মাকিদ হায়দার
শুভ জন্মদিন! 🎈