পরিচিতি:মিলন সব্যসাচী। তিনি একজন বহুমাত্রিক লেখক হলেও মুলত কবি। ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দের ৬ জুন মাদারীপুর জেলার শিরখাড়ার ঘুন্সী গ্রামে তার জন্ম। পিতা আব্দুল করিম মাতুব্বর, মাতা চেয়ারুন নেসা। রাজনীতি, সাহিত্য ও শিল্পে সমৃদ্ধ একটি মুসলিম পরিবারে কেটেছে তার বেদনা বিধুর স্মৃতিমধুর কিশোরকাল। জন্মেই আতুড় ঘরে বিমাতার রোষানলে ঝলসে গেছে জীবন। তবুও থেমে নেই তার সাহিত্য সাধনার দূরন্ত দুর্বার গতি। শৈশব থেকেই কবিতা লেখার মধ্য দিয়ে সাহিত্য ভূবনে প্রবেশ। দেশের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকাসহ সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশনায় নিরন্তর লেখালেখির মধ্য দিয়ে তাঁর লেখক পরিচিতি গড়ে ওঠে। সাহিত্যের সকল শাখায় তাঁর অবাধ বিচরণ। নিয়মিত লিখছেন— কবিতা, ছড়া, গল্প, প্রবন্ধ, নিবন্ধ—নাটক, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, জীবনী ইত্যাদি।
প্রকাশিত গ্রন্থসমূহঃ প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘বধির সময়’ ২০১০ খ্রি. শিশুসাহিত্য ছড়াগল্প ‘সিংহমামার বিয়ে’ ২০১১ খ্রি.।
উল্লেখযোগ্য সম্পাদিত গ্রন্থসমূহঃ ‘বঙ্গবন্ধুকে নিবেদিত পদাবলী’ ২০১১ খ্রি. ‘বঙ্গবন্ধুর বিপ্লবী চেতনা’ ২০১২ খ্রি. ‘বঙ্গবন্ধুর অসাধারণ কীর্তি’ ২০১৪ খ্রি. ‘বাঙালির বাতিঘর’ ২০১৩ খ্রি. ‘হাজার কবিতায় বঙ্গবন্ধু’ ২০২০ খ্রি. (প্রথম খন্ড, দ্বিতীয় খন্ড)।
যৌথ সম্পাদিত গ্রন্থসমূহঃ ‘বঙ্গবন্ধুর ৬ দফা বাঙালির মুক্তি’ অসীম সাহা ও মিলন সব্যসাচী। ‘ছন্দিত নন্দিত শেখ রাসেল’ আসলাম সানী ও মিলন সব্যসাচী। ‘শেখ হাসিনাকে নিবেদিত পঙক্তিমালা’ লিয়াকত আলী লাকী ও মিলন সব্যসাচী। এ গ্রন্থটি শিল্পকলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত।
তিনি সামগ্রিক সাহিত্যকর্মের স্বীকৃতি স্বরূপ যে সমস্ত সম্মাননা, পদক ও পুরস্কার পেয়েছেন— জীবনান্দ দাশ সাহিত্য পুরস্কার ২০১০ (কলকাতা), চোখ কবিসম্মাননা স্মারক ২০১১