পিঠে নিয়ে রিসার্চ করে
পতিতপাবন শেঠ,
এ বছরে’ই পাটনা থেকে
পেলেন ‘ডক্টরেট’!
আস্কে পিঠেয় ফোস্কা কেন,
দেহে ক’শো গর্ত,
কোথায় পিঠের জন্মভুমি…
স্বর্গ নাকি মর্ত্য?
পাটিসাপটা নাম’টাকে কে
করলো আবিষ্কার,
ক’ভাঁজ দিলে ডাইনে বাঁয়ে
উঠবে পরিষ্কার?
পুলিপিঠে’র দুই ধারেতে
দু’টোই কেন লেজ?
কোন সে পিঠে দারুণ মিঠে,
খেলেই বাড়ে তেজ?
কোন পিঠেটা খেলেই ভীষণ
বাড়বে মনের জোর,
কোন সে পিঠে চিবিয়ে খেতে
রাত হয়ে যায় ভোর?
কোন সালে’তে সরুচাকলি’র
প্রথম প্রচলন?
কোন দেশে’তে মুগসাউলী’র
আদর সারাক্ষণ?
কোন সে জেলার গোকুল গ্রামের
কোন বাড়ীতে কবে,
গোকুল পিঠে সর্বপ্রথম
জন্ম নিলো ভবে?
ক’সের দুধে ক’শো পুলি
ফুটবে কত ঘন্টা—
হিসেব মতো মিলিয়ে নেবে
তিথি এবং ক্ষণটা!
পুর কিসে হয় পুলি-পিঠে’র
কিংবা পাটিসাপটা’র,
পুরটা কখন পুরতে হবে—
‘বিফোর’ নাকি ‘আফটার’?
পৌষপার্বণ উৎসবটা’র
কোন সালে’তে শুরু?
সর্বপ্রথম ‘বাউনি’ বাঁধেন
বিখ্যাত কোন গুরু?
ভাজা, ভিজে, শুকনো, সরস,
পিঠের ক’শো জাত?
ঝালপুলি আর মিষ্টিপুলি’র
মধ্যে কী তফাৎ?
হাজার পিঠের হাজার নিয়ম,
হাজার রকম স্বাদ…
একটু এদিক-ওদিক হলে’ই
সব কিছু বরবাদ!
এমনি করে তথ্য লিখেই
পতিতপাবন শেঠ
বিশ্ববাসীর মুণ্ডুগুলো
করে’ই দিলেন হেঁট!
ফিলসফি-তে ‘ডি-ফিল’ মেলে,
লিটারেচার-এ ‘ডি-লিট’,
পিঠেলজি’তে থিসিস লিখে
ডিগ্রি পেলেন ‘ডি-পিঠ’!

মন্তব্য করতে ক্লিক করুন