আমাকে প্রতিশোধের মতো ভালোবাসো।
আরায়া তার বিয়ের দিনের লাল ভেলটি ঠিক করল, হাত কাঁপছে। সামনে বসে আছে আইডান খান, যার চোখে ঘৃণার ছাপ।
“কুবুল হ্যায়?” ইমামের শব্দে ভাঙল নিস্তব্ধতা। আরায়া কণ্ঠে ফিসফিস করে বলল, “কুবুল হ্যায়।”
আইডানের প্রতিধ্বনি – ঠাণ্ডা, নিঃসঙ্গ। বিয়ের মঞ্চে হৃদয় যেন থমকে আছে।
রাত নেমে এলে ঘরে নীরবতা ভরল। আইডান বলল, “আমি তোমাকে ভালোবেসে বাঁচব না, আমি তোমাকে ধ্বংস করব।”
আরায়া দাঁড়াল, ভয়কে নিজের হাতে ধরে রেখে। “আমি তোমার কাছে ভয় পাইনি।” দুই চোখে অগ্নি, দুই মন লড়াই করছে।
পরের সকালে রান্নাঘরে। আরায়া চা ধরছিল, হোঁচট খেয়ে চা ছিটকে যায়।
আইডানের হাত তার কপালে অপ্রত্যাশিতভাবে লেগে যায়। হৃদয় জড়িয়ে যায়, অদৃশ্য এক সেতু তৈরি হয়।
“দেখতে শিখো,” আইডান বলল, আবার চুপ।
বৃষ্টিতে ভেজা বারান্দায় তারা মুখোমুখি।
“কোথায় যাচ্ছো?” আইডান।
আরায়া হোঁচট খায়। হাত লাগার অপ্রত্যাশিত ঘনিষ্ঠতা, হৃদয় ধকধক করছে।
দুইজনের মধ্যে ঘৃণা আর আকর্ষণের রেখা মিশে যায়, অদৃশ্য বন্ধন তৈরি হয়।
রাতের নীরবতায় লাইব্রেরিতে। আইডান এসে বলল, “তুমি সবসময় লুকোছ।”
আরায়া চ্যালেঞ্জ জানায়। চোখের কোণে অদ্ভুত নরম ভাব।
দুজনের মধ্যকার টানাপোড়েন গভীর হচ্ছে, আবেগের স্রোত বাড়ছে।
পরিবারের চাপ ও ভুল বোঝাবুঝি। দুজনের লড়াই তীব্র।
“তুমি আমার জন্য বিপজ্জনক।” আইডান।
“আমি হার মানব না।” আরায়া।
ঘৃণার আড়ালে আবেগের মিশ্রণ, হৃদয়ের অন্তর্দ্বন্দ্ব বেড়ে যায়।
বাগানে এক সন্ধ্যায়।
আইডান বলল, “তুমি ভাবার চেয়ে গভীর।”
আরায়া স্বীকার করল, “আমি চাইনি এই বিয়ে, তবু চেষ্টা করছি।”
আইডান: “এটাই বিপজ্জনক… কারণ তুমি আমার মন স্পর্শ করেছ।”
গোপন সত্য প্রকাশ। আইডান একটি envelope দিল। ছবি, অতীতের ক্ষত।
আরায়ার ভাই আইডানের পরিবারের ক্ষতি জড়িত ছিল।
আহ্বান ও কষ্ট, কান্না, রাগ – সব মিলেমিশে সম্পর্ককে আরও গভীর করে।
আইডান এবং আরায়া খোলাখুলি।
“আমি ঘৃণা করি না, আমি… ভালোবাসি।”
“আমি তোমাকে ভালোবাসি,” আরায়া।
ঘৃণার আড়ালে ভালোবাসা লুকানো ছিল।
সকালের রোদ, শান্তি, চা হাতে।
“চলো আর লড়াই বন্ধ করি, শুধু আমরা থাকি।”
“আমি চাই। সবসময়ই চেয়েছিলাম।”
হাত ধরার আলিঙ্গন, হৃদয় মিলন, প্রতিশোধের বদলে প্রেম।
সমাপ্ত।

মন্তব্য করতে ক্লিক করুন