তুমুল সন্ন্যাসী হতে হতে
সংসারহীন স্বতন্ত্র মশারীর ভেতর বাঁধা পড়ে আছি
চালাক-চতুর রমণীরা নি:সঙ্কোচে চিবিয়ে খেয়েছে আমার দূর্বলতা
পরম অনাদরে; শকুনী যেভাবে খায় তিতিরের হাড়
কাকে দিয়ে লিখাবো আমার নিরেট শূণ্যতা ভরা করুণ ইতিহাস?
ধূ ধূ অন্ধকারে বোবা হয়ে আসে দুই চোখ
তীব্র নি:সঙ্গতাবোধের নৈকট্যে এসে
দুহাতে আলিঙ্গন করি
নৈরাশ্যের সূর্য্যদয়
আমি কি এমন-ই থাকবো চিরকাল?
তবে কি এইভাবে যতীচিহ্নহীন কেটে যাবে রবীন্দ্রোত্তর ব্যথিত জীবন?
অবুঝ শিশুর মতো মাঝে মাঝে মনে হয়
না থাকার মতো করে থেকে যাই কিছুটা সময়।