পিতার পুনর্জন্ম
পিতা সৃষ্টির এক নিঃশব্দ কারিগর।
তার আত্মা থেকে জন্ম নেয় যে আলো,
তা শুধু রক্তের নয়, বরং এক ঐশী ধারাবাহিকতা
যার প্রতিটি ধ্বনি ও সুরে গাঁথা থাকে অনন্ত ধ্যান, দোয়া ও নিয়তের গল্প।
যখন পিতার বুকের গভীর ত্যাগে পুত্র উঠে আসে আলোয়,
সেই আলো পিতার কালের ধারক —
সে পুত্রের পদচারণায় জাগে,
তার যিকিরে ধ্বনিত হয় পিতার জীবনের সুমধুর ধ্বনি।
পুত্র যখন ইলমে ঋদ্ধ, আদবে ভরপুর,
তখন তার মাঝে পিতার নূর ফোটে —
এ এক আত্মিক উত্তরাধিকার,
যেখানে পিতার রুহ ফিরে আসে,
ভেসে বেড়ায় সন্তানের সৎকর্ম ও আখলাকে।
জন্ম শুধু দেহগত নয়,
আত্মিক সৃষ্টিই পিতার প্রকৃত পুনর্জন্ম।
যখন পুত্র হয়ে ওঠে মানবতার বাতিঘর,
তখন পিতার নিঃশব্দ কবর হয় আলোকিত মেহরাব।
আর আসমানের ফেরেশতারা বলে ওঠে
“এই পিতা সফল, সে পুত্র রেখে গেছে
যে তার নামেও নফল দোয়া হয়ে দাঁড়িয়েছে।”
এভাবেই, পুত্র হয়ে ওঠে
পিতার আত্মার দ্বিতীয় সূর্যোদয়
কবিতা - পিতার পুনর্জন্ম
কবি সোহাইল আল হাবিব
শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি ২০২৬
আধ্যাত্মিক কবিতা, সাম্য-জীবনমুখী কবিতা
৯৩

মন্তব্য করতে ক্লিক করুন