সৃষ্টি ও ধ্যানের সঙ্গম
শূন্যের গভীরে জন্ম নেয় প্রথম আলো,
নীরবতার অন্তরাল থেকে ফোটে সৃষ্টির প্রারম্ভিক সুর।
প্রতিটি নিঃশ্বাসে স্পর্শ করে অদৃশ্য চেতনা,
প্রতিটি নিঃশ্বাসে ফিরে আসে নতুন দ্যুতি।
ধ্যান আসে, অন্তরীণ চেতনায় মিলিয়ে,
মিলেমিশে যায় হৃদয়, মস্তিষ্ক ও মহাবিশ্ব।
আলো ও ছায়া এক বিন্দুতে নৃত্য করে,
রহস্য ও উপলব্ধি মিশে ওঠে এক চিরন্তন সঙ্গমে।
মেঘের আড়ালে বাজে অন্তরীক্ষের নিঃশব্দ বাণী,
তরঙ্গিত সময়ের পেছনে লুকানো সত্য।
চেতনাময় নিঃশ্বাসে ভেসে আসে
সৃষ্টির গহ্বরের অদৃশ্য প্রতিধ্বনি।
নিঃশেষ আলো খোঁজে অন্তরের গহ্বরে,
নীরবতা বলে প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর।
মহাবিশ্বের নীরব সুর বাজে হৃদয়ে,
ধ্যানের ছোঁয়ায় প্রাণের প্রতিটি কোণ জাগে।
সৃষ্টির সীমা অদৃশ্য, ধ্যানের গভীরতা অসীম,
এখানেই মিলে যায় জ্ঞান ও অনুভূতি।
প্রতিটি মুহূর্তে জেগে ওঠে আধ্যাত্মিক রোমাঞ্চ,
যেখানে বিজ্ঞান, দর্শন ও অনুভূতির সঙ্গম হয় এক বিন্দুতে।
চোখ বন্ধ করলে শোনা যায় মহাজ্ঞানের গান,
যেখানে আলো ও ছায়া, রহস্য ও অন্তর্দৃষ্টি একাকার।
এই স্থিতিতে হৃদয়, মন ও আকাশ একসাথে জেগে ওঠে,
প্রতিটি মুহূর্ত পূর্ণ হয়ে ওঠে আলোর জ্যোতি ও অন্তরের দীপ।
এটাই সৃষ্টি ও ধ্যানের সঙ্গম,
যেখানে সবকিছু মিলেমিশে হয়ে যায় এক অভূতপূর্ব সঙ্গীত।
কাব্যগ্রন্থ : অতিরিক্ত চোখের দ্যূতি

মন্তব্য করতে ক্লিক করুন