সেদিন আনমনে ঘাটতেছিলাম সকল কথাকলি লেখাবলী
এ গলি, ও গলি, সে গলি…
হঠাৎ পেয়ে গেলাম অতিচমৎকার
এক তাজ্জব রূপকের বাজার…
কী নাই সেখানে! রূপকের এক হুলুস্থূল মেলা;
হঠাৎ গোটাদেহে আগুন, অঙ্গে অঙ্গে আগুনের খেলা
সবকিছুই নাকি রূপক, রূপক কানাকানি
রূপক জানাজানি…
সেখানে পণ্য রূপক, রূপক তার মূল্যতালিকা
সেখানে পদ রূপক, পদবী রূপক, রূপক তাদের কথার বালিকা…
আবার দেখলাম সেখানে রূপক সব হিসেবের খাতা
যত, আরো রূপক তা নিয়ে বড়দের ঝগড়ার মাথা…
সেখানে দেখলাম রূপক কবিতা ও কবি
রূপক নাটক, উপন্যাস সবই;
সেখানে নাটকের ভাষা রূপক, রূপক তার চরিত্রের নাম-
যত আছে সেখানে, কথার মান রূপক, রূপক কথকের দাম…
ঘুরেঘুরে দেখলাম সেখানে রূপক কণ্ঠের স্বর, চোখেদের চাওয়া
সেখানে রূপক আকালিক রৌদ্র, এমনকি রূপক রাতের হাওয়া…
হঠাৎ দেখলাম সেখানে এক রূপক ‘কাউরানামা’ কবিতার চাতাল,
যেখানে রুপক শুয়োরের বাচ্চাগুলো কেমন মাতাল
হয়ে অঘোরে ঘুমায় তারা পেটে নিয়ে ক্ষুধার আগুনের গিতালী,
অথচ সেখানে কাউরার সাথে কাকতাড়ুয়ার চলে এক ধুন্ধুমার মিতালী;
রাত-দিন জাদুর কাঠি নিয়ে ছক কষে তারা-
কীভাবে সবকিছু কেড়ে নিয়ে সকলেরে করবে ধনহারা, মনহারা
মাটিহারা, আকাশহারা করে তারপরে-
শুয়োরের বাচ্চাগুলোর মতো পাঠিয়ে দেবে রূপক কোন ঘুমের কবরে…

মন্তব্য করতে ক্লিক করুন