তুমি কোন্ প্রকারের কোন্ অধিকারে
তাদের উপরে বারেবারে
খেলছ মিসাইল-বোমা খেলা যখন ইচ্ছা যতক্ষণ
আরোপিত বৃষ্টির মতন,
অথবা কোন প্রিয় উৎসবের
ক্যারাকাসের প্রীতিকর শব্দের
কাছাকাছি কিছু, কেবলই কসবী-কুহক
কোন অনর্থক
নিষ্ঠুরতা বলা যায় যারে…
যারা কিনা তোমার কেউ নয় কোন আকারে-প্রকারে,
যারা তোমার ধর্মেরও নয়,
তারা শুধু তোমার লোভের ছকেবাঁধা মনগড়া শত্রু হয়-
আগ্রাসী নীতির মিথ্যা প্রতিপক্ষ গণ্য,
আর কিছু নয়। কোন্ শান্তি ও স্বস্তির জন্য
এ মনগড়া শত্রুতা;
বোমা-বোমা খেলা, এ শত্রুতা-বিলাসিতা
এ কেবলই ঘৃণ্য-জঘণ্য এক হটকারীতা?
তুমি কি নিয়েছ তোমার
ঈশ্বরের অনুমতি একবার?
তোমার ঈশ্বর কি এতটাই এ্যাগ্রেসিভ
অহেতুক ওফেনসিভ,
এতটাই রূঢ়,
পাথর-পরাণ, মূঢ়?
ঈশ্বরের নামে তারি প্রতিনিধির সাথে হাইব্রিড ভন্ডামি!
একি করছো তুমি
দিবারাত?
-শান্তির জন্য বোমা হামলা! হাজারো জীবন-পাত!
(যে জীবন তুমি দাওনি বিধাতার মতন
কিংবা করোনি পিতৃ-স্নেহে লালন…)
এ তোমার মানুষ-নীতির কোন মরণ-দীক্ষা!
এ তোমার ধর্মের কেমনতর শিক্ষা!
কোন শরিয়ত!
কোন্ সে মহান পথ!
এ ধর্মগ্রন্থ পড়া জানি তোমার শোভা পায় না
আর; এ শিক্ষা তোমার সাথে কোনভাবেই যায় না…
তুমি বরং পড় (যদি পড়ার মতো শিক্ষা থাকে
মন থাকে, কলাবতী-মন বলি যাকে),
পড় গুড আর্থ’র পার্ল এস বাক-কে
যে কিনা তোমাদেরই একজন
দেখতে ঠিক তোমাদেরই মতন,
যাকে একদিন আমাদেরই অদ্বৈত মল্লবর্মণ
লিখেছিল শান্তির খোলা চিঠি। যদি থাকে তোমার কলাবতী মন,
যদি প্রহর আসে কবিতা পড়ার,
পড়িও বারবার
তোমাদের সিম্বলিস্ট কবি রবার্ট ফ্রস্ট-কে
অফিসের কাজের ফাঁকে ফাঁকে
পাশে নিয়ে প্রিয় মানুষটাকে
অবকাশ যাপনে কোন নীল সমুদ্র-বীচে
কিংবা কোন হেমলক বুশে ঘেরা বিগলিফ ম্যাপল-ক্যানপির নীচে…