মণীন্দ্র গুপ্ত

কবিতা - গল্পগুলো

মণীন্দ্র গুপ্ত
রবিবার, ০৩ আগস্ট ২০২৫ অন্যান্য কবিতা

মণিকর্ণিকার দেশে বিকেল ফুরোয় না। —শুয়ে থাকে

শান্ত অনন্তনাগের মতো অপরাহ্ণ ভরে।

নেশাড়ু বুড়োর কাঁধে আচাভুয়া পাখি নেমে বলে :

গপ্পো বলো—

জনহীন গোল চাতালের পিছে

পাহাড়ের মতো শূন্য উঁচুতে উঠেছে,

শূন্য সামনে নেমেছে খাদ হয়ে।

নেশার বুদবুদ— বিড়বিড় ভাষায় লহরী শোনা যায়— উদ্ভট শ্লোকের

ভাঙা সুর :

উত্তরকুরুর বন্র চামরী গরুরা নীল ঘাস থেকে

আকাশে লাফিয়ে ওঠে—

বৈকাল হ্রদের জলে ছায়া পড়ে নোমাডদলের।

একটা গল্প, শেয়ালের মতো গর্ত থেকে বের করতেই

গ্রামসুদ্ধ তেড়ে এলো—মার, মার! ধূর্ত বদমাশ, হাড়িচোর!

আহীর গ্রামের ভরা যুবতীরা ঘড়া ভরে দুধ নিয়ে মিশে যাচ্ছে

দিগন্ত রেখায়।

নিকটে গাছের গম্ভীর ভাঙা দালানের ঘরে ঘন ছায়া—

একজন রাহী ঐখানে ফিরে এল সন্ধ্যাবেলা—রাত্রে এক মুশকিলয়াসান

তার আধখানা মুখে আলো ফেলে।

গোল চাতালের নিচে দূর খাদে, দুইজন চোর

হিমরাত্রে আগুনের কুঞ্জ জ্বালিয়েছে।

চাদনী রাতে স্কারটারিস পাহাড়ের ছায়া পড়ল

স্নেফেলের অনন্ত সাদায়।

দূর থেকে উদ্ভট শ্লোকের সুর শোনা যায় ঘুমের মতন।

গল্পগুলো পাখির ডিমের মতো ভাঙে…

পরে পড়বো
৫৬
মন্তব্য করতে ক্লিক করুন