এসো, শুতে এসো। একা বিছানায় ভয় করে। অন্ধকারে পাশে থাকো।
পায়ে সায়েটিকার ব্যথা। পায়ের উপর তোমার ভারী জানু চাপিয়ে রাখো।
ঘুম আসে না।
আঙুলে আঙুল জড়িয়ে চাপো, কানের পিছনে হালকা করে ফুঁ দাও।
ভয় করে। অন্ধকারে পাশে থাকো।
টাকপড়া মাথা – এখনো পাঁচ-দশটা চুল শীতে কুঁকড়ে আছে-
স্তনের তলায়, বুকে চেপে ধরতে ধরতে বলছ শুনতে পাই ;
আহা, এখনো মাথাটা তলতলে-
আহা, সাত দিনের শিশুর মতো ব্রহ্মতালু দিপদিপ করছে।
হয়তো ঘুম আসছিল, কিন্তু এই কথা শুনে চোখের কোটরে
মণি স্থির হয়ে গেল ।
কালকে দোল। আজ শুক্লা চতুর্দশী।
চাঁদ সেই গর্তে পাতকুয়োর পুরনো জলে চিকমিক করছিল
তোমার বগলের ফাঁক দিয়ে আমি তাকিয়ে দেখছি।
বিয়ের আংটিটা কুয়োয় ফেলে দাও-
চাঁদের বুকে সেটা কাঁকড়ার ছানার মতো আটকে থাকুক,
কাশের ডাঁটায় বিঁধে বিঁধে দ্রোণের মতো একজন কেউ
একদিন তাকে ঠিক তুলে আনবে।
এসব কি ভয়-পাওয়াদের রাতের স্বপ্ন? না কি
ব্রহ্মতালু-দিপদিপ-করা শিশুর দেয়ালা?

মন্তব্য করতে ক্লিক করুন