শহরের আলোগুলো ঠিক নিভে যায়নি,
শুধু পাল্টে নিয়েছে তাদের স্বভাব।
এখন সন্ধে নামলে জোনাকিরাও বেশ সাবধানে ওড়ে,
পাছে কোনো অন্ধকারের সঙ্গে ধাক্কা লেগে ডানা ভেঙে যায়!
আমাদের আয়নাগুলো এখন বড্ড একগুঁয়ে,
তাকালে নিজের মুখ দেখায় না—
দেখায় একটা জমাট বাঁধা কয়লাখনি।
আসলে আঁধার তো একরকম নয়, তারও স্তর থাকে;
আমরা এখন মখমলের অন্ধকার পেরিয়ে
পা রাখছি পাথুরে অন্ধকারে।
কেউ একজন ফিসফিস করে বলল, ‘ভয় নেই, রাত পোহাবে।’
আমি কাচের গ্লাসে শেষ চুমুক দিয়ে ভাবলাম—
রাত তো পোহাবেই, কিন্তু সূর্য কি আর
আগের মতো চেনা ঠিকানায় চিঠি পাঠাবে?
নাকি ভোরের কপালেও এখন একটা বড়সড় কালো টিপ?
আঁধার থেকে আঁধারতর—
ব্যাস, এইটুকুই।
বাকিটা না হয় কালকের লোডশেডিংয়ের জন্য তোলা থাক।

মন্তব্য করতে ক্লিক করুন