চশমাটা তার টেবিলে পড়ে আছে,
দিপু নেই।
কারখানায় আজ হাজিরা খাতাটা বড্ড একা,
দিপু নেই।
আমরা তো দিব্যি আছি, ডাল-ভাত খাচ্ছি,
বিকেলে চায়ের দোকানে তুফান তুলছি তর্কে—
শুধু দিপুর ঘরটা অন্ধকার।
সে নাকি কী একটা বলেছিল?
নাকি শোনেনি? নাকি ভুল শুনেছে কেউ?
আগুনের কোনো ধর্ম নেই, আমরা জানি।
কিন্তু আগুন যখন দিপুকে পোড়ায়,
তখন তার শিখাগুলো কেন জানি
এক বিশেষ জপমালা হাতে নাচতে থাকে।
রাষ্ট্র তখন জানলা দিয়ে আকাশ দেখে,
আইন তখন ফাইল চাপা দিয়ে ঘুমে মগ্ন।
সহায়তা? ও হ্যাঁ, সহায়তা তো ছিলই।
আগুনটা যাতে ঠিকঠাক জ্বলে,
ভিড়টা যাতে ঠিকঠাক চিৎকার করতে পারে,
সেই বন্দোবস্ত তো নিখুঁত ছিল।
দেশটা এখন বড় বেশি পবিত্র হয়ে উঠছে,
এত পবিত্র যে সেখানে দিপুর মতো
সামান্য এক শ্রমিকের নিশ্বাস নিতে বড্ড কষ্ট হয়।
শূন্য করার প্রক্রিয়াটা বেশ চলছে—
এভাবে ঘর খালি হতে হতে
একদিন হয়তো শুধু দেওয়ালগুলোই পড়ে থাকবে,
মানুষ থাকবে না।
দিপু মরে গিয়ে বেঁচে গেছে,
আমরা যারা বেঁচে আছি—
প্রতিদিন তিল তিল করে ইতর হচ্ছি।

দাদা শুধু কবিতা নয় প্রতিবাদ নয় প্রতিকার চাই। এমন ঘটনা মাঝে মাঝেই হচ্ছে। ইউনুস কে arrest করে বাংলা দেশে মার্শাল আইন চাই ইলেকশন না হওয়া পর্যন্ত।