আমি জানলার গ্রিল ধরে দাঁড়িয়ে আছি,
উল্টোদিকে একটা নেড়ি কুকুর হাই তুলছে—
অবিকল আমার মেজজাজটার মতো।
আসলে সমস্যাটা ঋতু পরিবর্তনের নয়,
সমস্যাটা এই পচা আলুর মতো পচে যাওয়া সময়টার।
এদিক দিয়ে যে যায়, সে-ই হাসে;
যেন ওটা হাসি নয়, একটা ভাঙা জিপারের দাঁত।
ওদিকে রিকশাওলা বেল বাজাচ্ছে খেপে গিয়ে,
বাসের কন্ডাক্টর বলছে, ‘আগে বাড়েন ভাই!’—
আরে ভাই, আগে বাড়ব কোথায়?
সামনে তো এক সমুদ্র ভণ্ডামি আর কিমা করা মগজ!
চারিদিকে সব হারামজাদা!
কেউ কলম দিয়ে পকেট মারছে,
কেউ জিকির তুলে রক্ত শুষছে।
কারো মুখে গণতন্ত্রের চুনকাম,
কারো পকেটে নিষিদ্ধ ইশতেহারের গন্ধ।
আমি ভাবলাম একটু মেঘের দিকে তাকাব,
সেখানেও দেখি একটা পলিথিন উড়ছে—
ঠিক যেন কোনো দেশপ্রেমিকের ভাষণ!
রাগটা ঠিক বের হচ্ছে না, গলার কাছে দলা পাকিয়ে আছে।
এক কাপ চা খাব? চিনি নেই।
একটা সিগারেট ধরাব? আগুন নেই।
আসলে এই তল্লাটে এখন কোনো কিছুরই ‘আসল’ নেই—
শুধু এই খিস্তিটা ছাড়া।
সব হারামজাদা। একেকটা আস্ত, টাটকা হারামজাদা।

মন্তব্য করতে ক্লিক করুন