একটি মেয়ে ছিল যার নাম ছিল নিসা। মেয়েটি দেখতে ছিল মোটামুটি। খুবই সুন্দর ও না অসুন্দর ও না। একদিন মেয়েটি এক
কফি শপে কফি খেতে গিয়েছিলাম। পরে তার সাথে দেখা হয় একটি ছেলের যারনাম ছিল নিলয়। নিলয় ছিল মোটামুটি স্বচ্ছল পরিবারের কিন্তু নিসা ছিল অসম্বল পরিবারের মেয়ে। যাইহোক, প্রথম দেখাতেই নিলয়কে ভীষণ ভালো লাগে নিসার। এক পর্যায়ে সে তাকে প্রেমের প্রস্তাব দেয়, নিলয় ও তাতে সাড়া দেয়। এভাবেই যেতে থাকে প্রায় এক বছর। এরপর একদিন নিলয় নিসাকে বলে “চলো আমরা একদিন হোটেলে গিয়ে একান্তে কিছু সময় কাটাই। নিসা প্রথমে কিছুতেই রাজি হয়নি, এক পর্যায়ে নিলয় তাকে এই সম্পর্ক ভেঙে ফেলার কথা বলে। তাই এক প্রকার বাধ্য হয়েই নিসা নিলয়ের প্রস্তাবে রাজি হয়। এইভাবে প্রায় আরও এক বছর চলে যায়। এক পর্যায়ে নিসা গর্ভবতী হয়ে যায়, পরে সে নিলয়কে একদিন ফোন দিয়ে, বলে, “জানো, তুমি বাবা হতে চলেছো, নিলয় রাগান্বিত হয়েবলে, কী বলছো এসব তুমি? প্রেগন্যান্ট মানে? হ্যাঁ, সত্যিই তুমি বাবা হতে চলেছো, নিসা বলল, চলো জান এবার মা-বাবাকে বলে আমাদের বিয়েটা সেরে ফেলি।
“বিয়ে আর তাও তোমাকে অসম্ভব। তুমি ছিলে কেবলই আমার সময় কাটানোর বস্তু” ছেলেটি বলল। মেয়েটি বলল!”তার মানে তুমি বিয়ে করবে না তাইতো, তাহলে কী হবে আমাদের বাচ্চার? ও কি তাহলে সমাজে কোন স্বীকৃতি পাবে না।” ছেলেটি বলল “তোর বাচ্চার কী হবে তুই বোঝ, আমি এর দায়ভার নিবো না, তা ছাড়াও আমার অন্য জায়গায় বিয়ে ঠিক হয়েছে। আর তোর ভেতরেকী এমন আছে? না আছে তোর সৌন্দর্য, না আছে টাকা পয়সা, তুই তো একটা রাস্তার মেয়ে। তোর সাথে যে এতদিন টাইম পর পাস করলাম এটাই অনেক বেশী তোর জন্য। মেয়েটি বলল “ঠিক আছে আমি চলে যাচ্ছি। ভালো থেকো তোমার নতুন সঙ্গিনীকে নিয়ে”। মেয়েটি এই কষ্ট সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করে।
তোমাদের’ বলছি, হে বোন নিজের দেহকে কখনো বিলিয়ে দিও না। ৫ মিনিটের. সুখের জন্যে নিজেরে জীবনের কে নষ্ট করো না।
Writer : Shaima Tazneem Medha
