সন্ধ্যা হলো সূর্যি ডুবে ডুবে
আধার তার পর্দা নামায় পুবে
সাঁঝের আকাশ কালো কালো
পশ্চিমের ধার রক্ত আলো
সবুজ পারুল ধানক্ষেত মিশে একাকার
সূর্যটি মাথা পেতে দেয় যেন সে সন্ধ্যার
নদীর জলছাপে সন্ধ্যা মুঠি মুঠি
এবার বুঝি সূর্যের হয়েছে ছুটি
গোধূলির ঝিলমিল আলো ধিকধিক
সন্ধ্যারা তড়িঘড়ি ছুটছে সেদিক
রাখাল কৃষক জেলেদের ঘীরে
সন্ধ্যারা একে একে নেমেছে ধীরে
জোনাকিরা জ্বেলেছে প্রদীপ বাতি
কালো কালো হয়ে আসছে রাত্রি
একটু পরেই আবার ডুববে ফের
আঁধারে মিশে তার ধরবে ঘের
আকাশ থেকে নাটাই সূতা নামিয়ে
যেন ওরা সূর্যকেই দেয় থামিয়ে
নীড়ে ফেরা পাখিগুলো বিন্দু বিন্দু
চারদিকে যেন সন্ধ্যার সিন্ধু
শান্ত সমুদ্র নেমেছে আপন মনে
পাখিদের কোলাহল থেমে যায় বনে
লালের টিকার পরে সূর্য গেছে ডুবে
শুকতারা বা চাঁদ কি তাকে ছূবে
আধারে জড়াজড়ি করে ফেলেছে কায়া
ছায়ায় ছায়ায় ঘীরে আসে কালো মায়া
পল্লী গ্রাম শহর নগর উপত্যকা ঘীরে
নিঃশব্দ পায়ে সন্ধ্যা আসে ফিরে
আমার হাতে কেবল একটি রজনীগন্ধা
যার সুবেসে আজও বুঝি নেমেছে সন্ধ্যা