সাঁঝের খেয়ায় পাল তুলে
সন্ধ্যা নামে ধীরে
তিব্বত থেকে হিমবধূ
সেঁউতি নদীর তীরে

কতটা দীর্ঘ পথ যেতে যেতে
এসেছি তোমার তীরে
এত এত লোকের ভীড়ে
কত দূর্গম কত বন্ধুর পথ অবলিলায়

পুরো পৃথিবী খুঁজে তোমার জন্য
এনেছি একটি রজনীগন্ধা
তবুও কি আমার হবে না তুমি
হে মধু সন্ধ্যা

এখন অর্ধেক পৃথিবী অন্ধকার
আর অর্ধেকে আলো
এমন শান্তির অন্ধকার
থাক আমার অন্ধকারই ভালো

অথবা আমি দেব ফুল
আর তুমি দেবে হাসি
হাসিতে হাসিতে
হবে ভালোবাসা বাসি

সন্ধ্যার ঝিরঝির বাতাস
বহিবে গোপনে গোপনে
এ দুটি হৃদয় বাধা পড়বে
দিবস রজনীর সন্ধিক্ষণে

আমি সাজিব সন্ধা
আর তুমি গোধূলি
আমার গায়ে মাখিব
তোমার গায়ের ধূলি