সে চলে গেল, এল না, ফিরে এল না।
কত ভালোবেসেছিল নীল আকাশেরে,
কত ঢেউ গুনেছিল বসে নদীনীর তীরে;
ফুলের গন্ধ পেয়ে, শীতল বাতাসে নেয়ে,
হৃদয়ে সেধে সুন্দর সুখ রেখেছিল বেঁধে।
ভালোবেসেছিল তারে তোমার দুটি আঁখি,
কত দিন বসেছিলে সাথে চোখে চোখ রাখি;
তবুও এ ধরণী তারে চলে যেতে দিল?
ঘাসে ঢাকা নরম বুকে বেঁধে রাখল না!
সে তো যেতে চায়নি, কেউ যেতে চায় না,
তবু কেন চলে যায়, ধরে রাখা যায় না!
কাল ছিল ঘরে কত আশা বুকে চেপে ধরে,
আজ চলে গেল একা, এল না তো ফিরে।
কেন রেখেছ খুলে চির না-ফেরার পথ?
বিষণ্ণ বিদায়ের পার, অন্তহীন আঁধার—
ফুলের কাননে কেমনে আসে নির্মম দুর্মদ?
কেড়ে নেয় মর্ত্য জীবনের সুখ-সম্পদ!
বিরহ কেন ধরণীতে কভু সুখের হয় না?
সুখের ভুবনে দুঃখ চির বিরহে রয় না?
যদি আছে জীবন-যৌবন, আনন্দ-সুখ,
কেন রেখেছ হেথা বিদায়ের মলিন দুঃখ?
কেন মিলনের আনন্দ শুধু বিরহের পরে?
কেন সুখ বোঝা যায় যদি দুঃখ নিঃস্বরে?

মন্তব্য করতে ক্লিক করুন