শোকের কোনো ঠিকানা নেই।

রাস্তার মোড়ে
তার নাম লেখা থাকে না।

তবু হঠাৎ
একটি গন্ধ,
একটি বিকেল,
একটি কণ্ঠস্বর
আমাকে সেখানে নিয়ে যায়।

কোনো রাস্তা নেই,
কোনো বাড়ি নেই,
শুধু বুকের মধ্যে
একটি নির্দিষ্ট জায়গা
অকারণে ভারী হয়ে ওঠে।

সেখানে পৌঁছাতে
গাড়ির দরকার হয় না।
শোক নিজেই
মানুষকে বহন করে।

পৃথিবী সামনে এগোয়,
মানুষও এগোয়—
কেবল তার ভেতরে
কিছু রাস্তা
চিরকাল পেছনের দিকে হেঁটে যায়।

খসড়াধ্বনি: সময় সামনে এগোলেও মানুষের ভেতরের কিছু পথ কেন অতীতেই শেষ হয়?