আমার কোনো প্ল্যান নেই—
আমি শুধু দেখি, চারপাশে ধেয়ে আসা অন্ধকারের ছায়া।
শিশুদের নিষ্পাপ চোখে ভয়,
মানুষরূপী জানোয়ারদের থাবায়
হুমকিগ্রস্ত প্রতিটি শৈশব।
আমাকে একটা প্ল্যান দিন না, ভাই—
কীভাবে নিরাপদ করব এই ছোট্ট আলোগুলোকে?
কীভাবে ওদের মুখে আবার ফুটিয়ে তুলব নিশ্চিন্ত হাসি?
আমার বোনদের, নারীদের আর্তনাদ
বাতাসে বাতাসে ভারী হয়ে উঠছে।
ধর্ষণের এই ভয়াবহ মহাযজ্ঞ,
এই পৈশাচিক উন্মাদনা—
কীভাবে থামানো যায় একে?
নারীর সম্মান আর নিরাপত্তার জন্য
আপনাদের কি কোনো শক্ত প্ল্যান নেই?
আইনের শাসন কি তবে কেবলই বইয়ের পাতা?
আইন কেন রুখে দাঁড়ায় না এই অন্যায়ের সামনে?
আমাকে একটা স্পষ্ট প্ল্যান দিন,
কীভাবে বন্ধ করা যায় এই খুন, ছিনতাই আর সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্য?
কীভাবে ফিরে আসবে শান্ত ও নিরাপদ কোনো সকাল?
দেশের তরুণদের হতাশা আমায় কুঁড়ে কুঁড়ে খায়,
কর্মসংস্থানের এই ঘোর সংকট,
দিশেহারা হাজারো স্বপ্ন—
তাদের জন্য কি কোনো সুস্পষ্ট পথ নকশা থাকবে না?
দেশের এই বিশৃঙ্খলা, অস্থিরতা আর অরাজকতা দেখে
আমি আর নিজেকে ঠিক রাখতে পারি না।
আমার বুক ফেটে যায়, আমার চিন্তারা এলোমেলো হয়ে যায়।
আমাকে একটি প্ল্যান দিন—
একটি সঠিক, সত্য ও সাহসী প্ল্যান,
যা দেখে অন্তত বিশ্বাস করতে পারি,
সব অন্ধকার পেরিয়ে আমাদের দেশটা আবার শান্ত হবে।


১০ অক্টোবর ২০২৬