আমি সেই অবহেলা, আমি সেই নতমুখ,
নিরবে ফিরে যাওয়া অভিমান- ভেজা চোখ,
আমাকে গ্রহন করো।
উৎসব থেকে ফিরে যাওয়া আমি সেই প্রত্যাখ্যান,
আমি সেই অনিচ্ছা নির্বাসন বুকে নেওয়া ঘোলাটে চাঁদ।
আমাকে আর কি বেদনা দেখাবে
তপ্ত সিসার মত পুড়ে পুড়ে একদিন
কঠিন হয়েছি শেষে, হয়েছি জমাট শিলা।
তবু সেই পাথরের অন্তর থেকে
কেঁদে ওঠে একরাশ জলের আকুতি,
ঝর্নার মতো তারা নেমে যেতে চায় কিছু মাটির শরীরে-
আমি সেই নতমুখ, পাথরের নিচের করুন বেদনার জল,
আমি সেই অভিমান- আমাকে গ্রহন করো
কবিতা — আমি সেই অভিমান
বুধবার, ১১ অক্টোবর ২০২৩
বিরহের কবিতা
৮১৭২
এআই বিশ্লেষণ (মূলভাব)
'আমি সেই অভিমান' কবিতাটি অবহেলা, প্রত্যাখ্যান ও গভীর আবেগের এক অনবদ্য প্রকাশ। কবি এখানে অবহেলার শিকার হয়ে কঠিন পাথরে রূপ নেওয়ার কথা বলেছেন, কিন্তু সেই পাথরের অন্তরালেও লুকিয়ে থাকা তীব্র বেদনা ও ব্যাকুলতার কথা ফুটিয়ে তুলেছেন। বাহ্যিক কঠোরতার নিচে সুপ্ত কোমল অনুভূতি এবং গ্রহণের আকুতি কবিতাটির মূল সুর।