শুভ্র অম্বরে কৃষ্ণ চন্দ্র লইয়া…
বিনিদ্র অক্ষিপট দিয়া-
দেখেছিলেম তাহারে,
বিবশ হইয়া কোনো এক দিবসে…!
নামহীন সে ডাকে ডুবেছিলেম নিঃশেষে-
ক্ষণিক দর্শন,অথচ চিরন্তন…
সেই চিরন্তনের ভার বক্ষে লইয়া-
প্রলয় ঝড় সই নিভৃতে দাহ্য হইয়া!
প্রমাদের সেই ক্ষণে,
বোধ জাগিল ধীরে ধীরে-
গুটিকয়েক বিষাদ হর্ষ হইয়া,
উড়িল দূর অনন্ত নীলগিরিতে!
৫৩৫

আমি নিঃসন্দেহ যে এটি একটি উচ্চ মার্গের কবিতা। দহন উত্তরণের যথাযথ ইমেজারি কবিতা জুড়ে নন্দিতরূপে প্রতিষ্ঠিত, কিন্তু ভাবের প্রকাশভঙ্গি কোন ক্রমেই আধুনিক নয়। মাইকেলি যুগ হলে এটি মানানসই হতো। প্রোফাইলে দেখলাম- পেটের ক্ষুধার জন্য ইঞ্জিনিয়ারিং পঠন আর মনের ক্ষুধার জন্য সাহিত্যসাধন- গুড! কিন্তু এটি বিদ্রোহীর এক হাতে নাঙ্গা তরবারি, আর হাতে ফুটন্ত গোলাপের মত এক অক্সিমোরনদশা! সুকান্ত কেন তবে বললেন- ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়, পূর্ণিমার চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি?