দ্বিপ্রহরে শুভ্রবসনে প্রকট শুভেচ্ছাদূত,
প্রস্থানে তাহার বিরহে কি তবে কৃষ্ণকায়া?
দীর্ঘকেশী,হিয়ার অন্তরালে রাখিয়াছে পুষ্পপুট,
আঁখিযুগল কি তবে মানিবে না আর কোনো মায়া?
চোখের বালি ছল করিয়া লভিয়াছে উষ্ণ অভ্যর্থনা,
অথচ নিশাচরী প্রেয়সী করিয়াছে শুধুই দেবতার বন্দনা…!
তৎপরে কপট-প্রীতি-সম্ভাষণ লভিল অপসৃত,
নিদ্রাতুর আঁখিপটে নিদারুণ দহন সমাপনা!