আকাশের জিভ চিরে নামে না কোনো বজ্রপাত,
বরং এক জোড়া নপুংসক হাত
পিঠ পেতে দেয় অপমানের ভারী পাথরে।
আমি দেখি—
তোমাদের রক্তে এখন আর লোহিত কণিকা নেই,
আছে কেবল সস্তা প্রসাধনী আর পোষ মেনে যাওয়া কোনো প্রাচীন ঘুণ।
যখন কোনো মধ্যযুগীয় কণ্ঠস্বর
নারীর শরীরকে পণ্য বা খামারের জমি ভাবে,
তোমরা তখন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে করো চুলের বিন্যাস!
ধিক্কার সেই জরায়ুকে, যা বিদ্রোহের বদলে জন্ম দেয় শুধু সমঝোতা।
মর্যাদা?
ও তো মরীচিকা, শোষক দেয় শোষিতকে ভুলিয়ে রাখতে।
শোনো হে বন্দিনি—
ভিখারির মতো দয়া চেয়ো না, ওতে শুধু দাসত্ব বাড়ে;
মর্যাদা নয়, আমার চাই পেশির সমান দৈর্ঘ্য,
মগজের সমান তীক্ষ্ণতা আর পৃথিবীর সমান অধিকার।
যারা প্রতিবাদ ভুলে আজ পিঞ্জরে বসে হাসো,
মনে রেখো—
মুক্তির স্বাদ না পাওয়া জিভগুলো একদিন কুষ্ঠরোগে খসে পড়বে।
আমি একা দাঁড়িয়ে আছি ধিক্কারের মিছিলে,
যেখানে তোমরা নেই, আছে শুধু তোমাদের অবমাননার দুর্গন্ধ।


মন্তব্য করতে ক্লিক করুন