প্রবহমান নদীতীরে একটি নয়নাভিরাম
বৃক্ষ নানাজনের হিংসার পাত্র হয়ে
মেরুদণ্ড সোজা রেখে দাঁড়িয়ে ছিলো। গাছটিতে
এক ঝাঁক কোকিল মহানন্দে করতো বাস।
ওদের গানের সুরে পার্শ্ববর্তী নদীর ঢেউ
উঠতো নেচে প্রায়শই। সহসা
একদিন কোত্থেকে ক’টি শকুন উড়ে এসে
জুড়ে বসে উৎপাতে উঠলো মেতে। কোকিলেরা ভড়কে যায়।
মারমুখো শকুনদের হামলায় সবুজ গাছের নিচে
বয়ে যায় রক্তিম স্রোত, অনেক
কোকিলের লাশে ছেয়ে যায় ভেজা মাটি। তবে কি
বৃক্ষচূড়ায় কায়েম হলো শকুনের কর্তৃত্ব?
তিন-চারবার সূর্য আকাশ থেকে উধাও
হওয়ার পর কোকিলের ঝাঁক গান গাইতে
শুরু করে নতুন প্রেরণায়। ওদের ডানা আর ঠোঁটের
ঝাপটায় শকুনেরা জখম-কলঙ্কিত
পাখা আর মাথা নিয়ে পড়ি মরি করে পালালো
দূরে অন্য কোনওখানে। কোকিলের গানে নাচে প্রফুল্ল নদী।
শামসুর রাহমান জনপ্রিয় লেখাগুলো
আমি যাচ্ছি চলে, কোনদিন হয়তো আর আসবো না
১০২০৩ বার পঠিত
কী করে করবো বসবাস
৭৯৭৫ বার পঠিত
বাঁচতে দাও
৪১৭০ বার পঠিত
প্রেমের কবিতা
৩৩৬২ বার পঠিত
আমার ভালোবাসা
২৭৮৫ বার পঠিত
🎂 আজ যাদের জন্মদিন
আবু জাফর মহিউদ্দীন
শুভ জন্মদিন! 🎈
সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ
মহাকালের খেয়া 📜✨
— দরবেশ আল আমিন
অজানার পানে ছ...
আরো দেখুন
দরবেশ আল আমিন
লেখক:
দরবেশ আল আমিন
পৃথিবী কবিতার মতোই সুন্দর, এবং এই সৌন্দর্য দেখার জ...
আরো দেখুন
Munsora Mim
লেখক:
মেহেদী হাসান অপু
কবিতাটি সত্যিই দারুণ। এতো এতো ইমোশন দিয়ে আবৃত। প্র...
আরো দেখুন
সায়েবা
লেখক:
রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ