কবিতা - মাতা-পিতার আর্তনাদ

সুপ্ত বালা
মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬ সাম্য-জীবনমুখী কবিতা

​যে মাতা-পিতা নিজের ভাগের অন্ন খাইয়ে
করলো তোমায় বড় তুমি দিলে তার এই প্রতিদান৷
মানুষ মুখে বলে ঠিকই মাতার চরনে তাহার স্বর্গ বা জান্নাত৷

তারা বুঝেও বুঝে না—
যদি বুঝে থাকে তাহলে কেনো মাতা-পিতার চরনে ফুলচন্দন দিয়ে পূজা করে না৷

​যে পিতা নিজের কষ্ট লুকিয়ে ঘাম ঝরিয়ে
বুকে আগলে রেখেছে বলে “বাছাধন”৷
আর তুমি কী না হিংসা আর অহংকারের দাপটে
ডুবালে পিতার মান-সম্মান৷

​জীবন সংরামে বাবা এক মাহা-নায়ক
তার সাথে তুলনা হয় না কারো,
তুমি কী না সেই মাতা-পিতাকে
বৃদ্ধ বয়সে দুঃখ দিতে পারো৷

​জানি না আজ মানবতা লুকিয়ে আছে কোন অজানায়,
নাহলে বৃদ্ধ বয়সে মাতা-পিতার শেষ ঠিকানা
হয় বৃদ্ধাশ্রমের আঙিনায়৷

​মানুষ বলে বিধাতার লিখন না যায় খন্ডান
তাই বলে সারাজীবন সংগ্রাম করা মাতা-পিতার
ভাগ্যে লিখলে এরুপ পরিহাস৷

বিধাতা তুমি পাষাণ, তুমি নির্মম,
নাহলে নিজের রক্ত জল করে সন্তানকে মানুষ করলে
এই কী হয় তার পরিনাম৷

পরে পড়বো
১৯

মন্তব্য করুন