শৈশবকে চাইলেই কী ভোলা যায়?
শৈশবে ভাবি মোরা বড় হবো কবে,
বড় হয়ে বুঝি চাইলেই কী শৈশবকে আর ফিরিয়ে আনা যাবে!
ছোটদের দেখলে মোদেরও মনে লয়,
কোনোভাবে কী আবার শৈশবে ফিরে যাওয়া যায়!
যদি কেউ দিতে পারে খোঁজ,
তবে আমি শৈশবে ফিরে যেতাম রোজ।
শৈশবের কথা জেগে ওঠে মোর মনে,
শৈশবের সেই পুরোনো স্মৃতি আজও দোলা দেয় কী কারো প্রাণে?
শৈশবকাল কত-ই না সুন্দর ছিল!
ছিল কত মধুর, রোজ ভোরে উঠে দেখতাম স্নিগ্ধ রোদের আলো।
তবে সূর্য আছে ঠিকই, দেয় আজও আলো,
ব্যস্ততার মাঝে টেরই পাই না, আকাশের বুক চিরে কখন জেগে ওঠে সূর্য মামার আলো।
ক্লান্ত শরীরে রাতে ঘুমিয়ে পড়ি রোজ,
নিজেরই এখন নেওয়া হয় না খোঁজ।
দায়িত্ব পালনে মগ্ন হয়ে সময় যে কখন যায় ফুরিয়ে;
জীবনের বোঝা বইতে বইতে কখন যে ‘আমি’ নামক যন্ত্রটা যাবে চিরতরে ঘুমিয়ে!
৬
