কে যেন বাজায় বাঁশি- চেনা চেনা সুরে,
নীরব রাতের মতো এসে মেশে হৃদয়-পুরে;
সারাবেলা, সারাক্ষণ—মনের কোণে দেখি স্বপন,
ডেকে যায় মোরে গোপনে— মনের অতল গহনে।

ছুটে যাই—যেদিকে চায় আকুল তৃষায় আঁখি দুটি,
গন্ধ মেখে আসে বাতাসে —মাতাল হয়ে যাই ছুটি;
শূন্য মাঠে , নদীর পারে, কুয়াশা-ঢাকা বনের ধারে,
খুঁজি তারে— লুকিয়ে থাকে যেন কোন অজানা পারে ।

হৃদয়-বেণু আনে ডেকে অন্ধ সুরের পাগল ধেনু,
চাঁদের নিচে একা বসে শুনি দূরের মাতাল বেণু;
তবু পাই না কোথাও খুঁজে তারে —দূরে কোথাও দিগের পারে ,
হয়তো ঘুমিয়ে আছে আমারই হিয়ার অতল পারে।