এমনো মধুর সন্ধ্যা বাতাসে
রবে কিগো মোর পাশে
গানে গানে সাজাবো নিবিড়ো সন্ধ্যা
ভালোবেসে রবে কি মোর পাশে
তব হৃদয়ের ছায়াতলে হেসে হেসে
রবে কিগো ভালোবেসে বেসে
ঘনঘোর হবে তবু সন্ধ্যা
চারিধারে ছড়ানো রজনীগন্ধা
নেই কোন কোলাহল
দুটি হৃদয় ছলছল
ছলছল জলধারা
অবিনাশি সুরধারা
সুরে সুরে ছায়াতলে হেসে হেসে
রবে কিগো মোর পাশে
এমনো মধুর সন্ধ্যা বাতাসে
রবে কিগো মোর পাশে
আমারো আকাশে ঘন কালো মেঘ
তব দুটি আঁখি
কেন রাখ ঢাকি
আঁচল বিছায়ে ঘাসে
রবে কিগো মোর পাশে
তবু ডেকে ডেকে অস্থির আমি
একেবারে না ফিরে চাও
কেন এত জ্বালা দাও
দাউ দাউ দাউ জ্বলে অনল হৃদয় অতলে
সূর্যটা গলে যায় হেসে হেসে
তুমি কিও যাবে গলে
ভালোবেসে বেসে
আমারো গানের সকলি কলি
উঠিবে বাতায়ন খুলি
যেমনি এক ফালি চাঁদ উঠে রে গগনে
তার সুবাসিত মায়া ছড়ায় পবনে
সে মায়া মোহে পাখি ফিরে নীড়ে
সন্ধ্যা নামে ধীরে ধীরে
আমারো আছে এক চাঁদ এই নদীর তীরে
কি করে যাবো ঘরে ফিরে
এমনো মধুর সন্ধ্যা বাতাসে
রবে কিগো মোর পাশে
কবিতা — সন্ধ্যা সঙ্গীত
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকৃতির কবিতা
,
প্রেমের কবিতা
৩১
এআই বিশ্লেষণ (মূলভাব)
‘সন্ধ্যা সঙ্গীত’ কবিতাটিতে সন্ধ্যার শান্ত ও মধুর পরিবেশে প্রিয়জনকে পাশে পাওয়ার তীব্র আকুলতা প্রকাশ পেয়েছে। কবি প্রকৃতি, রজনীগন্ধার সুবাস এবং নিভৃত অনুভূতির সংমিশ্রণে ভালোবাসার বিরহ ও ব্যাকুলতাকে ফুটিয়ে তুলেছেন। অনুরাগের পাশাপাশি এখানে হৃদয়ের গভীর অনল ও নীরব বেদনার সুর বাজছে। প্রকৃতির রূপকের মাধ্যমে প্রেমের চিরন্তন রূপ এতে অনন্যভাবে চিত্রিত।