দিন যায়। পরতে পরতে জমে ধুলো। সে চলে যাবার পর

অর্গানের রীডে— যাকে আমি সুরের পাঁজর বলতাম—

আর কেউ আঙুল রাখে না। না রাখুক আমি বেশ আছি।

বাড়িময় আলস্যের ঘুম-ঘুম ঘোর, আকাঙ্ক্ষারা ফটকের বাইরে থাকে—

বিরক্ত করে না। ঝরা পাতার তলায় ঢাকা এই বাড়ি, এই ম্লান জীবনেরও

একরকম সুখ আছে, একরকম আস্বাদন আছে। — আমি বেশ আছি।



সব মিথ্যে। আসলে এ বাড়িতে কখনো অর্গান ছিল না

— যা ছিল, তা আমারই পাঁজর। আমিও মো্টেই বেশ নেই।

তুমি নিয়মমাফিক আসো— হেসে ওঠে বাড়ি; পাঁজরের ফাঁপা হাড়ে

অদ্ভুত বাতাস ভরে দাও। আমি আশঙ্কায় কাঁপি : বুঝতে পারি,

একদিন পূর্ণচ্ছেদ পড়ে যাবে, তারপর সত্যি সত্যি পরতে পরতে জমবে ধুলো।

সেই ম্নানতার জন্য, অমোঘ দুঃখের জন্য এভাবেই একটু একটু করে তৈরি হই।