ডুবে যায় কেউ, হৃদয়ের জলে ডুবে যায়। এই দুপুর আর তার রোদ। ভেঙে গেলে আরও এক জীবন ভেসে যায় কোথায় কোথায়
ভাসানের নদী থেকে দেবী উঠে আসে। কথা বলে মেঘার্ত স্বরে— "কোথা যাস বেটি? আয়, তোর বিনুনি বেঁধে দিই!" — এই বুঝি দেবী!
পাওয়ার দুঃখ এসে ঘাটে লাগে আমার
পুকুরেই শুয়েছিল সে
রোজ এসে বসে থাকত পুকুরের তীরে
জলের পোকারা এসে ঘাঁটত তার নূপুরের অন্ধকার
জলে ডুবে থাকা পাড়া, কার কাছে জমে আছে জীবনের কতখানি সুদ?
কী করে ফেরত দেব লবঙ্গলতিকার ঘ্রাণ?
"সীমান্ত পেরিয়ে আসা ওগো মোর নিভৃত বালক
সেতু মোরে দিও না তুমি, সেতুহীন করো বিভূতি"
সন্ধে ঘনায়। ঘরে ফেরে রাত্তিরের মেয়ে। খায়। শোয়। হাঁসফাঁস করে ওঠে। পরিতৃপ্ত স্বামী ছেড়ে জানলায় দাঁড়ায়। কোকিল ডাকছে দূরে। অমঙ্গলের সুর শোনে সে। ঘাম মোছে। আকাশের ভুরুর মাঝে জেগে উঠছে আত্মহত্যা
সূর্যের জ্যোৎস্নায় আজ এত অকাল ভাদ্র—
'আমি আর যাই না সেখানে
অন্ধকার জানে
সই পাতিয়েছিলাম কার সাথে
মাঠে মাঠে বিজয়ার কান্না উঠলে
আজও আমি হৃদয়ের জলে
পাওয়ার দুঃখগুলো ভাসাই যে বিভূতিভূষণ!
কবিতা — বিভূতিভূষণ
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্মৃতিচারণ
২৩
এআই বিশ্লেষণ (মূলভাব)
'বিভূতিভূষণ' কবিতাটি স্মৃতি, বিরহ এবং পাওয়ার দুঃখের এক গভীর আলেখ্য। এখানে প্রকৃতি ও মানুষের ভেতরের বিষাদ মিলেমিশে একাকার হয়েছে। 'হৃদয়ের জলে ডুবে যাওয়া', 'ভাসানের নদী' কিংবা 'লবঙ্গলতিকার ঘ্রাণ'-এর মতো রূপকের মাধ্যমে জীবন ও মৃত্যুর নীরব হাহাকারকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। পরিশেষে, বিজয়ার কান্না আর অন্ধকারের বিষাদ যেন প্রকৃতির সাথে ব্যক্তির একাত্মতাকে প্রকাশ করে।
অনুসন্ধান করুন
🎂 আজ যাদের জন্মদিন
সব্যসাচী দেব
শুভ জন্মদিন! 🎈
শ্রী অজয় কুমার দে
শুভ জন্মদিন! 🎈