আফসানা আক্তার মীম

কবিতা - দহন-উত্তরণ

আফসানা আক্তার মীম
বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫ অনুকাব্য

শুভ্র অম্বরে কৃষ্ণ চন্দ্র লইয়া…
বিনিদ্র অক্ষিপট দিয়া-
দেখেছিলেম তাহারে,
বিবশ হইয়া কোনো এক দিবসে…!
নামহীন সে ডাকে ডুবেছিলেম নিঃশেষে-
ক্ষণিক দর্শন,অথচ চিরন্তন…
সেই চিরন্তনের ভার বক্ষে লইয়া-
প্রলয় ঝড় সই নিভৃতে দাহ্য হইয়া!
প্রমাদের সেই ক্ষণে,
বোধ জাগিল ধীরে ধীরে-
গুটিকয়েক বিষাদ হর্ষ হইয়া,
উড়িল দূর অনন্ত নীলগিরিতে!

পরে পড়বো
৭২৭

প্রকাশিত মন্তব্য গুলো

  1. প্রতিটি মানুষের ব্যক্তিত্বের মাঝেই বৈপরীত্য বিদ্যমান।
    কথায় আছে,”যে রাধে সে চুলও বাঁধে…”
    সবাই আধুনিক হইলে বাঙালির ধ্রপদী ধাচের রুচিবোধ ধরে রাখবে কে?
    প্রেক্ষাপট অনুযায়ী যে নারী একদা হাতে তরবারি উঠায়, সে নারীর মাঝেই আবার অবস্থানভেদে মাতৃত্বের স্নেহ প্রকাশ পায়!
    যুগ আধুনিক হইলেও শিকড় তো সেই আদিম,তাই নয় কি?
    আমি নবীন বিধায় আমার প্রবীণ পছন্দ,ঠিক যেমন আপনি প্রবীণ কিন্তু পছন্দ নবীন সাহিত্যচর্চা ও অনুরাগ!
    লেখকের কাজ লেখা,কবিতা পাঠ করা না করা পাঠকের হাতে!
    আধুনিক যুগের সাহিত্যচর্চা রুচিশীল নয়,তেমন নান্দনিক নয় বিধায় রবীন্দ্রনাথ এখন আর জন্মে না!

    1. Reaction যুত্সইভাবে যুক্তিসিদ্ধ। কথার ধার আছে বটে! Mind it, লেখার ধ্রুপদী ধাঁচেরও modernisation আছে। Because, it is the ultra-modern era of literature. আর রবীন্দ্রনাথ বা মাইকেল বা কালিদাস বা Shakespeare বা Chaucer এঁরা প্রত্যেকেই এক ও অদ্বিতীয়। এঁদের কোন modern দ্বিতীয় হয় না, কারণ ততক্ষণে নদীর জল অনেক দূরে গড়িয়ে যায়। নিশ্চয় রবীন্দ্রনাথকে পঞ্চপান্ডবের আক্রমণের কথা মনে আছে! ভাবনা-চিন্তা-স্বভাব-বৈশিষ্ট্য-ভাষা সবই রূপান্তরশীল। এই রূপান্তরকে মেনে নেওয়াটাই আধুনিকতা। আর এর সাথে যুত্সই যাপনই ধ্রুপদী ধাঁচ। Heart-felt thanks for classical and logical comment and reaction.

  2. আমি নিঃসন্দেহ যে এটি একটি উচ্চ মার্গের কবিতা। দহন উত্তরণের যথাযথ ইমেজারি কবিতা জুড়ে নন্দিতরূপে প্রতিষ্ঠিত, কিন্তু ভাবের প্রকাশভঙ্গি কোন ক্রমেই আধুনিক নয়। মাইকেলি যুগ হলে এটি মানানসই হতো। প্রোফাইলে দেখলাম- পেটের ক্ষুধার জন্য ইঞ্জিনিয়ারিং পঠন আর মনের ক্ষুধার জন্য সাহিত্যসাধন- গুড! কিন্তু এটি বিদ্রোহীর এক হাতে নাঙ্গা তরবারি, আর হাতে ফুটন্ত গোলাপের মত এক অক্সিমোরনদশা! সুকান্ত কেন তবে বললেন- ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়, পূর্ণিমার চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি?

মন্তব্য করতে ক্লিক করুন