দর্পণ-তলে অলঙ্কৃত অঞ্জনপ্রভ বসনা,
তৃষ্ণার্ত এই ধরণী!
মর্ত্যের এই ধূলিকণায় যেন নামিয়াছে
আজ শ্রাবণ-ঘন নীলিমা;
আরশিতে ভাসে গগন-বিলাসী
কোনো এক অপরূপ-প্রতিমা!
তিয়াসাতুর নয়নে-
তোমার নিখিল বিশ্বের তৃষ্ণা জাগে,
অঞ্জনপ্রভ সেই বসনে-
সিক্ত বসুন্ধরা এক মায়াবী অনুরাগে।
নিস্পলক চেয়ে রহে দর্পণ-মুকুল
ওই স্থির প্রতিবিম্বে,
যেন নক্ষত্রপুঞ্জ হারাইয়াছে পথ
তোমারই রূপের অসীম বিলম্বে…!
নিভৃত অন্তরে জাগে এক অসমাপ্ত হাহাকার
তুমি কি নিছক কোনো মানবী,
নাকি…
তিয়াসাতুর কোনো এক ছায়া-অহংকার?
নতুবা…
তুমি কি কেবল ই এক অলীক স্বপন,
মায়া-মরীচিকা সম-
নাকি মোর হদয়ে জাগা-
চিরন্তন কোনো এক বিভ্রম?
নইলে…
শ্রাবণের এই কাজল ছায়ায়
কবি খুঁজে ফেরে যাহার রেশ,
তুমি কি অধরা কোনো কবিতার-
এক অসমাপ্ত উন্মেষ?
৬৯

মন্তব্য করতে ক্লিক করুন