একটি গ্রাম্য কিশোর একদিন নিরুদ্দেশের পথে পা বাড়িয়েছিল।
নিঝুম দুপুর, শুনশান, আর সবাই ঘুমন্ত
পুকুরের জলের মতন সেখানে সব কিছু নিস্তরঙ্গ
শারদীয় ধান খেতের ওপর সেখানে বোমারু বিমানের ছায়া পড়ে না
শুধু দূরের উষ্ণ বাতাসে ভেসে আসে এক এক সময়
সামরিক হল্কা…
আল পথে একা একা হেঁটে যাচ্ছিল কিশোর ছেলেটি
পিঠে তার বাঁখারির তির ধনুক, হাতে গাছের ডালের বন্দুক
তার বুক ভরা জয়ের অভিমান
সে চলেছে এক মরণপণ যুদ্ধ যাত্রায়।
সে শুনেছে কোহিমায় লড়াই করছে ভারতীয় সৈনিকেরা
বলদৃপ্ত ইংরেজদের সঙ্গে শুরু হয়েছে স্বাধীনতার সংগ্রাম
তলোয়ার তুলে ছুটে আসছেন নেতাজি
কিশোরটিও ছুটছে, তাকে যেতে হবে, কোহিমায় যেতে হবে
কোহিমা কোথায়, কত দূরে তা সে জানে না
তবুও তাকে যেতে হবেই
সেতুবন্ধনের সময় যেমন গিয়েছিল এক কাঠবিড়ালি।
অনুসন্ধান করুন
সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ
ধন্যবাদ প্রিয় পাঠক । ভালো থাকবেন নিরন্তর ।
আরো দেখুন
অমরেন্দ্র সেন
লেখক:
অমরেন্দ্র সেন