কবিতা — রঙ্গিন খাম

রাত নামে ধীরে, সন্তর্পনে..
মাটির গন্ধে ভিজে ওঠে শহর,
রক্তে নয়, কাঁদায় গড়া এই দেশ—
মানুষে মানুষে বিষাক্ত মেঘ জমে তারপর!

কোথাও এক তরুণ হারায় প্রেমিকার চোখে,
বিজ্ঞাপনী ভালোবাসায় ঝলমলে হয়ে উঠে গৃহস্থ বাড়ির ব্যালকনি!!

ভেতরে ফাঁপা শব্দ দিয়ে নায়েব আলী গড়ে ইট – পাথরের অলংকার,মৃদু হাসিতে
তার বুকের ভেতর জ্বলে উঠে এক পুরনো চাঁদ,
যে চাঁদে জীবনানন্দ দেখেছিলেন মৃত্যুর স্বাদ!!!

হিন্দু-মুসলমান তাস,
এখন রাজনীতির হাস্যস্কর উপাদান!
সবই এখন দাগ কাটা কাচের মতো।

ভেতরটা ফেটে যায় আলো এলে;
আদালতের টেবিলের নীচে পরে থাকা পা- দানিতে ধুলো জমে বছরের পর বছর,
ন্যায়েরা ছাই চাঁপা ফাইলে আর্তনাদ করে,
আর আমরা বেঁচে থাকি
অন্ধ আইনের পকেট ভর্তি প্যাকেটে।

তবু বিশ্বাস করো,
একদিন নদী ফিরে আসবে তার স্রোতে,
মানুষ আবার দেখবে মানুষের মুখ।

কোনো এক মেয়ে বৈধব্য দশা কাটিয়ে বলবে,
“তুমি ফিরে এসো,”
কোনো ছেলে আবার কাঁদবে ভালোবাসায়!
এখনও যে পৃথিবী ঘুরছে তার আবহ মন্ডলের চারিদিকে।

একটা পাতা ঝরে পড়ল এইমাত্র আমার জানলার পাশে,
তাতে রোদ পড়েছে , বাতাস লাগে,
আমি বুঝি—
বেঁচে থাকাটাও এক প্রকার কবিতা।
….. ……

৫ বার পঠিত রিপোর্ট

মন্তব্য করুন

লেখকের অন্যান্য প্রকাশনা